দেশের ৪ বিভাগে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্ব) সকাল পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বজ্রসহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস ৪ বিভাগে হারানো এনআইডি নিয়ে বড় সুখবর
বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় অপরিবর্তিত।সাতক্ষীরায় ঘেরের আইলে সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনা
মাছের ঘেরের চারপাশে ঝুলছে লাউ, করলা, শিম আর উচ্ছে। ঘেরের বেড়ি যেন সবুজে ঢাকা টানেল। সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামীণ জনপদে এখন এমন দৃশ্যই চোখে পড়ে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছর জেলায় ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ হয়েছে ৯৩৬ হেক্টর জমিতে। গত বছর এই পরিমাণ ছিল ৮৭১ হেক্টর। অর্থাৎ এক বছরে বেড়েছে ৬৫ হেক্টর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে কালিগঞ্জ উপজেলায়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৃষক আবদুল জলিল বলেন, “আগে শুধু মাছ চাষ করতাম। কিন্তু এখন ঘেরের বেড়িতে খেরাই, উচ্ছে আর লাউ চাষ করি। মাছ বিক্রি হয়, সবজিও বিক্রি হয়। এতে আয় দ্বিগুণ হচ্ছে।”
শ্যামনগর উপজেলার কৃষাণী নাজমা খাতুন জানান, “আমরা আগে বাজার থেকে সবজি কিনতাম। এখন ঘেরের বেড়ি থেকে সবজি তুলে রান্না করি। নিজেরা খাই, আবার বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করি।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাতক্ষীরার এ উদ্যোগ দেশের জন্য একটি নতুন কৃষি মডেল হতে পারে। একই জমিতে মাছ ও সবজি চাষের সমন্বয় একদিকে যেমন আয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। গ্রামীণ জনপদে এখন ঘেরের বেড়ি শুধু মাছের খামার নয়, বরং এক নতুন সম্ভাবনার সবুজ বাগান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, মাছ ও সবজি-দুটো একসাথে করলে ঝুঁকি কমে যায়। মাছ না হলে সবজি হবে, সবজি না হলে মাছ বিক্রি হবে। কৃষকরা তাই এখন বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।
সাতক্ষীরায় ঘেরের আইলে সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনা
মাছের ঘেরের চারপাশে ঝুলছে লাউ, করলা, শিম আর উচ্ছে। ঘেরের বেড়ি যেন সবুজে ঢাকা টানেল। সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামীণ জনপদে এখন এমন দৃশ্যই চোখে পড়ে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছর জেলায় ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ হয়েছে ৯৩৬ হেক্টর জমিতে। গত বছর এই পরিমাণ ছিল ৮৭১ হেক্টর। অর্থাৎ এক বছরে বেড়েছে ৬৫ হেক্টর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে কালিগঞ্জ উপজেলায়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৃষক আবদুল জলিল বলেন, “আগে শুধু মাছ চাষ করতাম। কিন্তু এখন ঘেরের বেড়িতে খেরাই, উচ্ছে আর লাউ চাষ করি। মাছ বিক্রি হয়, সবজিও বিক্রি হয়। এতে আয় দ্বিগুণ হচ্ছে।”
শ্যামনগর উপজেলার কৃষাণী নাজমা খাতুন জানান, “আমরা আগে বাজার থেকে সবজি কিনতাম। এখন ঘেরের বেড়ি থেকে সবজি তুলে রান্না করি। নিজেরা খাই, আবার বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করি।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাতক্ষীরার এ উদ্যোগ দেশের জন্য একটি নতুন কৃষি মডেল হতে পারে। একই জমিতে মাছ ও সবজি চাষের সমন্বয় একদিকে যেমন আয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। গ্রামীণ জনপদে এখন ঘেরের বেড়ি শুধু মাছের খামার নয়, বরং এক নতুন সম্ভাবনার সবুজ বাগান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, মাছ ও সবজি-দুটো একসাথে করলে ঝুঁকি কমে যায়। মাছ না হলে সবজি হবে, সবজি না হলে মাছ বিক্রি হবে। কৃষকরা তাই এখন বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।
সাতক্ষীরায় ঘেরের আইলে সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনা
মাছের ঘেরের চারপাশে ঝুলছে লাউ, করলা, শিম আর উচ্ছে। ঘেরের বেড়ি যেন সবুজে ঢাকা টানেল। সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামীণ জনপদে এখন এমন দৃশ্যই চোখে পড়ে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছর জেলায় ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ হয়েছে ৯৩৬ হেক্টর জমিতে। গত বছর এই পরিমাণ ছিল ৮৭১ হেক্টর। অর্থাৎ এক বছরে বেড়েছে ৬৫ হেক্টর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে কালিগঞ্জ উপজেলায়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৃষক আবদুল জলিল বলেন, “আগে শুধু মাছ চাষ করতাম। কিন্তু এখন ঘেরের বেড়িতে খেরাই, উচ্ছে আর লাউ চাষ করি। মাছ বিক্রি হয়, সবজিও বিক্রি হয়। এতে আয় দ্বিগুণ হচ্ছে।”
শ্যামনগর উপজেলার কৃষাণী নাজমা খাতুন জানান, “আমরা আগে বাজার থেকে সবজি কিনতাম। এখন ঘেরের বেড়ি থেকে সবজি তুলে রান্না করি। নিজেরা খাই, আবার বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করি।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাতক্ষীরার এ উদ্যোগ দেশের জন্য একটি নতুন কৃষি মডেল হতে পারে। একই জমিতে মাছ ও সবজি চাষের সমন্বয় একদিকে যেমন আয় বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। গ্রামীণ জনপদে এখন ঘেরের বেড়ি শুধু মাছের খামার নয়, বরং এক নতুন সম্ভাবনার সবুজ বাগান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করছে। তিনি আরও বলেন, মাছ ও সবজি-দুটো একসাথে করলে ঝুঁকি কমে যায়। মাছ না হলে সবজি হবে, সবজি না হলে মাছ বিক্রি হবে। কৃষকরা তাই এখন বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।
রিপোর্টার 
















