আজ ০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৮:০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • ২৮৬ বার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সুধীন কুমার সরকারের বিরুদ্ধে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি, ফাইল আটকে রাখা এবং দালাল চক্রের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, নামজারি, খতিয়ান সংশোধন, খাজনা রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গেলে নিয়মিতভাবেই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। নির্ধারিত টাকা না দিলে আবেদনপত্র দিনের পর দিন আটকে রাখা হয় কিংবা দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করা হয়।

এক সেবা প্রার্থী বলেন, “একটি সাধারণ নামজারি করতে গিয়ে দুই-তিনবার যেতে হয়। দিতে হয় ৫-৬ হাজার টাকা। টাকা না দিলে অনেক সময় আবেদন খারিজ হয়ে যায়।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, অফিসে কাজ করাতে হলে দালাল ছাড়া উপায় থাকে না। এমনকি, নায়েব সুধীন কুমার সরকারের বদলির আদেশ থাকলেও অজ্ঞাত প্রভাবের কারণে তিনি এখনও বহাল তবিয়তে কর্মরত আছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নায়েব সুধীন কুমার সরকার বলেন, “আমি কোনো অনৈতিক কাজ করিনা, কাউকে হয়রানি করিনি। বদলির আদেশ হয়েছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে চলে যাবো।”

ভুক্তভোগীরা অভিযোগটি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

ভূমি অফিসের নায়েবের বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৮:০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সুধীন কুমার সরকারের বিরুদ্ধে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি, ফাইল আটকে রাখা এবং দালাল চক্রের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, নামজারি, খতিয়ান সংশোধন, খাজনা রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন সেবা নিতে গেলে নিয়মিতভাবেই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। নির্ধারিত টাকা না দিলে আবেদনপত্র দিনের পর দিন আটকে রাখা হয় কিংবা দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করা হয়।

এক সেবা প্রার্থী বলেন, “একটি সাধারণ নামজারি করতে গিয়ে দুই-তিনবার যেতে হয়। দিতে হয় ৫-৬ হাজার টাকা। টাকা না দিলে অনেক সময় আবেদন খারিজ হয়ে যায়।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, অফিসে কাজ করাতে হলে দালাল ছাড়া উপায় থাকে না। এমনকি, নায়েব সুধীন কুমার সরকারের বদলির আদেশ থাকলেও অজ্ঞাত প্রভাবের কারণে তিনি এখনও বহাল তবিয়তে কর্মরত আছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নায়েব সুধীন কুমার সরকার বলেন, “আমি কোনো অনৈতিক কাজ করিনা, কাউকে হয়রানি করিনি। বদলির আদেশ হয়েছে, কর্তৃপক্ষ চাইলে চলে যাবো।”

ভুক্তভোগীরা অভিযোগটি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।