আজ ০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সীমান্তে বায়রাক্টার ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ, এএনআইয়ের প্রতিবেদন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • ১৪২ বার

ভারত সীমান্তের কাছে তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক বায়রাক্টার টিবি-টু ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এসব ড্রোনকে গত কয়েক মাস ধরে নজরদারি অভিযান পরিচালনা করতে দেখা গেছে। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নজরদারির জন্য ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি ড্রোনগুলো উড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এতে উদ্বিগ্ন দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের এ ধরনের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজর রাখার জন্য রাডার স্থাপনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত।

বার্তাসংস্থাটি দাবি করে, মাঝে মধ্যে নজরদারি মিশনে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী বায়রাক্টার ড্রোনগুলো উড়াচ্ছে। তবে সেসব সীমান্তঘেঁষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই উড়ানো হচ্ছে। ভারতীয় সংস্থাগুলো এসব ড্রোন উড্ডয়ন করতে দেখেছে এবং সেগুলোকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় ভারত উদ্বিগ্ন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

সীমান্তে বায়রাক্টার ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ, এএনআইয়ের প্রতিবেদন
সীমান্তে ভয়ংকর ট্যাংক নিয়ে ভারতীয় সেনাদের মাসব্যাপী মহড়া
বিশ্বের ৩০টির বেশি দেশে বায়রাক্তার টিবি-টু ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক। সিরিয়া, লিবিয়া, আজারবাইজান ও ইউক্রেন সংঘাতে বেশ সাফাল্য দেখিয়েছে তুরস্কের নির্মিত এই ড্রোন।

তুরস্কের বেইকার টেকনোলজি কোম্পানি ২০১৪ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে বায়রাক্তার টিবি-টু ড্রোন উৎপাদন ও বিক্রি করতে শুরু করে। এসব ড্রোন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি এবং হামলায় অংশ নিতে পারে। এমনকি অনেক দূরে উড়ে গিয়ে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এসব ড্রোন।

এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কর্পস সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এক মাসব্যাপী টি-৯০ ট্যাংকসহ লাইভ ফায়ারিং মহড়া সফলভাবে শেষ করেছে। মহড়াটি সিকিম ও শিলিগুড়ি করিডোরের সুরক্ষা নিশ্চিত ও যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়ানোর লক্ষ্যে করা হয়। মহড়ায় সেনারা টি-৯০ ট্যাংকের পাশাপাশি মর্টার, ফায়ার আর্মস ও ড্রোন ব্যবহার করে লক্ষ্য শনাক্ত ও নজরদারি করেন। মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন অপারেশনাল পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত কৌশল ও প্রযুক্তির কার্যকারিতা যাচাই করা।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সীমান্তে বায়রাক্টার ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ, এএনআইয়ের প্রতিবেদন

আপডেট টাইম : ০৪:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

ভারত সীমান্তের কাছে তুরস্কের তৈরি অত্যাধুনিক বায়রাক্টার টিবি-টু ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এসব ড্রোনকে গত কয়েক মাস ধরে নজরদারি অভিযান পরিচালনা করতে দেখা গেছে। ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নজরদারির জন্য ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি ড্রোনগুলো উড়াচ্ছে বাংলাদেশ। এতে উদ্বিগ্ন দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের এ ধরনের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজর রাখার জন্য রাডার স্থাপনসহ অন্যান্য ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত।

বার্তাসংস্থাটি দাবি করে, মাঝে মধ্যে নজরদারি মিশনে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী বায়রাক্টার ড্রোনগুলো উড়াচ্ছে। তবে সেসব সীমান্তঘেঁষে বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই উড়ানো হচ্ছে। ভারতীয় সংস্থাগুলো এসব ড্রোন উড্ডয়ন করতে দেখেছে এবং সেগুলোকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় ভারত উদ্বিগ্ন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

সীমান্তে বায়রাক্টার ড্রোন উড়াচ্ছে বাংলাদেশ, এএনআইয়ের প্রতিবেদন
সীমান্তে ভয়ংকর ট্যাংক নিয়ে ভারতীয় সেনাদের মাসব্যাপী মহড়া
বিশ্বের ৩০টির বেশি দেশে বায়রাক্তার টিবি-টু ড্রোন বিক্রি করছে তুরস্ক। সিরিয়া, লিবিয়া, আজারবাইজান ও ইউক্রেন সংঘাতে বেশ সাফাল্য দেখিয়েছে তুরস্কের নির্মিত এই ড্রোন।

তুরস্কের বেইকার টেকনোলজি কোম্পানি ২০১৪ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে বায়রাক্তার টিবি-টু ড্রোন উৎপাদন ও বিক্রি করতে শুরু করে। এসব ড্রোন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি এবং হামলায় অংশ নিতে পারে। এমনকি অনেক দূরে উড়ে গিয়ে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এসব ড্রোন।

এদিকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ত্রিশক্তি কর্পস সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এক মাসব্যাপী টি-৯০ ট্যাংকসহ লাইভ ফায়ারিং মহড়া সফলভাবে শেষ করেছে। মহড়াটি সিকিম ও শিলিগুড়ি করিডোরের সুরক্ষা নিশ্চিত ও যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়ানোর লক্ষ্যে করা হয়। মহড়ায় সেনারা টি-৯০ ট্যাংকের পাশাপাশি মর্টার, ফায়ার আর্মস ও ড্রোন ব্যবহার করে লক্ষ্য শনাক্ত ও নজরদারি করেন। মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন অপারেশনাল পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত কৌশল ও প্রযুক্তির কার্যকারিতা যাচাই করা।