আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগরের সীমান্তবর্তী কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতানের বিরুদ্ধে কৌশলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বৈধভাবে পাস পারমিট নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার খাতায় নাম লেখাতে হয়। খাতায় নাম না লেখালে সুন্দরবনে টহলকালে ঐ সমস্ত জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অর্থ। তাছাড়া বরফ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করলেই দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৈখালী, টেংরাখালী, কালিঞ্চি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, ‘আমরা কৈখালী স্টেশন হতে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরতে যায়। কিন্তু আমাদের পাশের টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে তালিকায় নাম লেখাতে হয়। নাম না লেখালে আমাদের পাশ সম্পূর্ণ হয় না।এছাড়া প্রতিগোনে বরফের জন্য স্টেশনে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্যান্য অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেয় না তাহলে আমাদের কৈখালী স্টেশনে বরফের জন্য টাকা দিতে হয় কেন? আমরা এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে পাস পারমিট নিয়ে মাছ ধরতে যাই। বরফ নিয়ে না গেলে আমাদের মাছগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। পতিত আ.লীগ সরকারের আমলেও, এম এ সুলতান আমাদের নিকট থেকে বাড়তি হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
এই সরকারের আমলেও যদি আমাদের এভাবে ঘুষ দিতে হয় তবে আমরা যাবো কোথায়? আমরা জেলেরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তাছাড়া আমার নাম করে কেউ যদি টাকা আদায় করে সেটাও আমার জানা নেই। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এসি এফ মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টার 
















