আজ ০২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সাতক্ষীরার কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৩৯ বার
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার দোসর সাতক্ষীরার ১১ নং কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিপঙ্কর সরকার দীপের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল  বিকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি তুহিন উল্লাহ তুহিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু, ইউপি সদস্য সুজিত কুমার উজ্জল মিত্র, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ইমরান হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক শহিদুল সরদার, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুল গাজী, সাবেক সেক্রেটারী আজিজ সরদার, মান্নান সরদার, হক আলী, রমজান আলী, আঃ রাজ্জাক, শাহজাহান আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনা রাখেন।
তুহিন উল্লাহ তুহিন বলেন, চেয়ারম্যানের স্বৈরাচারী কর্মকান্ড ও বঞ্চনার শিকার মানুষ আজ প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে, অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ করছে। চেয়ারম্যান কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় সাধারণ মানুষের হক নষ্ট করেছে। বিএনপির কোন নেতাকর্মী চাঁদাবাজী করেনি। কেউ করে থাকলে অভিযোগ করুন, ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা ইউনিয়নের সুন্দর চেয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যান মেম্বারদের পাশ কাটিয়ে জনগণকে বঞ্চিত করেছে। পরিষদের টাকা পরিষদের একাউন্টে না রেখে ব্যক্তি একাউন্টে রেখে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ব্যবহার করছে। জেলার সুপরিচিত ব্যক্তি রুহুল আমিনের মৃত্যুর পর ওয়ারেশদের ফাঁকি দিতে মিথ্যা ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট দিয়েছেন। গরীবের পাশে না থেকে ধনীদের সরকারি অর্থ পাইয়েছেন। লাঞ্চিত, বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার সুযোগ বঞ্চিতকারী চেয়ারম্যানকে অপসারনের লক্ষ্যে ১২ জন মেম্বারের মধ্যে ১০ জন অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনই হিন্দু সমাজের।
ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু, মেম্বার উজ্জল মিত্র ও অন্যরা জানান, আওয়ামীলীগের আমলে স্বৈরাচারী আচরণকারী চেয়ারম্যান আজও আচরণ পরিবর্তন করেননি। আগের মত এখনও তিনি মেম্বারদের বাদ রেখে নিজের ইচ্ছায় সবকিছু করে আসছেন। এখনো তিনি বিএনপি-জামায়াতের তালিকাকে অবজ্ঞা করে চলেছেন। প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় ৪ জন মেম্বারকে বাদ রেখে ৮ জনের স্বাক্ষর নিয়ে নির্বাচন করা হয়। কাদাকাটির ৯ ওয়ার্ডের একটি রাস্তার কাজ তিনি করেননি। রাস্তা সংস্কারের টাকাও মেরে খেয়েছেন। তারা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দ্রুত অপসারনের কাজ করতে জোর দাবী জানান।
ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরার কাদাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান দীপের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট টাইম : ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার দোসর সাতক্ষীরার ১১ নং কাদাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দিপঙ্কর সরকার দীপের অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল  বিকালে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি তুহিন উল্লাহ তুহিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু, ইউপি সদস্য সুজিত কুমার উজ্জল মিত্র, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ইমরান হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক শহিদুল সরদার, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুল গাজী, সাবেক সেক্রেটারী আজিজ সরদার, মান্নান সরদার, হক আলী, রমজান আলী, আঃ রাজ্জাক, শাহজাহান আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনা রাখেন।
তুহিন উল্লাহ তুহিন বলেন, চেয়ারম্যানের স্বৈরাচারী কর্মকান্ড ও বঞ্চনার শিকার মানুষ আজ প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে, অপসারণের দাবীতে বিক্ষোভ করছে। চেয়ারম্যান কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় সাধারণ মানুষের হক নষ্ট করেছে। বিএনপির কোন নেতাকর্মী চাঁদাবাজী করেনি। কেউ করে থাকলে অভিযোগ করুন, ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা ইউনিয়নের সুন্দর চেয়েছি, কিন্তু চেয়ারম্যান মেম্বারদের পাশ কাটিয়ে জনগণকে বঞ্চিত করেছে। পরিষদের টাকা পরিষদের একাউন্টে না রেখে ব্যক্তি একাউন্টে রেখে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ব্যবহার করছে। জেলার সুপরিচিত ব্যক্তি রুহুল আমিনের মৃত্যুর পর ওয়ারেশদের ফাঁকি দিতে মিথ্যা ওয়ারেশ কায়েম সার্টিফিকেট দিয়েছেন। গরীবের পাশে না থেকে ধনীদের সরকারি অর্থ পাইয়েছেন। লাঞ্চিত, বঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার সুযোগ বঞ্চিতকারী চেয়ারম্যানকে অপসারনের লক্ষ্যে ১২ জন মেম্বারের মধ্যে ১০ জন অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন, যাদের মধ্যে ৮ জনই হিন্দু সমাজের।
ডাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন টুকু, মেম্বার উজ্জল মিত্র ও অন্যরা জানান, আওয়ামীলীগের আমলে স্বৈরাচারী আচরণকারী চেয়ারম্যান আজও আচরণ পরিবর্তন করেননি। আগের মত এখনও তিনি মেম্বারদের বাদ রেখে নিজের ইচ্ছায় সবকিছু করে আসছেন। এখনো তিনি বিএনপি-জামায়াতের তালিকাকে অবজ্ঞা করে চলেছেন। প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় ৪ জন মেম্বারকে বাদ রেখে ৮ জনের স্বাক্ষর নিয়ে নির্বাচন করা হয়। কাদাকাটির ৯ ওয়ার্ডের একটি রাস্তার কাজ তিনি করেননি। রাস্তা সংস্কারের টাকাও মেরে খেয়েছেন। তারা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দ্রুত অপসারনের কাজ করতে জোর দাবী জানান।