আজ ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

শ‍্যামনগরের গাবুরার বেড়ীবাধে অনিয়মের অভিযোগ এলাকা বাসির

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১২:২৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৩ বার

oplus_1024

আবু সাঈদ : সাতক্ষীরা শ‍্যামনগরের দীপ অঞ্চল গাবুরা ইউনিয়ন এর খোল পেটুয়া নদীর বেড়ী বাধ নির্মাণে নিম্নমানের মালামাল ব‍্যাবহারের অভিযোগ এলাকা বাসির। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ কতৃক ১২ শত কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঈগল রীচ। সাতক্ষীরার শ‍্যামনগর উপজেলার অত‍্যান্ত অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ইউনিয়ন গাবুরা, ঐ ইউনিয়নে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস কিন্তু যাতয়াত ব‍্যাবস্থ নাই বললেও চলে কারণ তাদের যাতয়াত করার একমাত্র ভরসা নদী পারাপার।উক্ত ইউনিয়নের চতুর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নদী তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য খোলপেটুয়া নদীই প্রধান। ঐ ইউনিয়ন বাসির প্রতিবছর বিভিন্ন প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে ও জীবন বাজী রেখে জীবন সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়।

ঝড়,বৃষ্টি জলউচ্ছাস তার মধ্যে প্রধান সমস্যা খোলপেটুয়া নদীর বাধ ভাঙ্গন যেন তাদের প্রধান অভিসাফ। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড মেঘা প্রকল্প গ্রহণ এর মাধ্যমে ১২ মিটার বেড়ী বাধ স্থায়িত্বর জন্য সিলেকসন বালি, পাথর ও ভালো মানের সিমেন্ট দিয়ে জমাট বাধা ব্লক তৈরী করে নদীর ধার দিয়ে বসিয়ে ভেড়ীবাধ ভাঙ্গন প্রতিরোধ করছে। এলাকা বাসির অভিযোগ সিডিউল অনুযায়ী উক্ত ঠিকাদার কাজ করছে না, বালি ও পাথর এর অবস্থা খুব নিম্নমানের।

গতকাল সংবাদ কর্মীরা সরেজমিনে যেয়ে এলাকা বাসির সাথে কথা বলেন এবং উক্ত কাজের উপকরণ দেখে মনে হয় এলাকা বাসির অভিযোগ সত্য। এ বিষয়ে গনমাধ‍্যম কর্মীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম‍্যানেজার মোকতার হোসেন বলেন সিডিউলে যেভাবে কাজের ধরণ উল্লেখ আছে সেই ভাবে কাজ করছি আমরা। কিন্তু তারা সিডিউল গনমাধ‍্যম কর্মীদের দেখাতে পারিনি, শুধু তাই নয় উক্ত কাজ তদারকি করার সর্তে ইন্জীনিয়ার পরিচয়দান কারী বিধান, কাজ সম্পর্কে কোনো ধারণা দিতে পারিনি। গাবুরার ফারুক হোসেন, রমজান, বাবুসহ এলাকা বাসি অভিযোগ করে বলেন ব্লক তৈরি করার সময় সিমেন্ট কম দেয়া এবং বালি ও পাথর খুব নিম্নমানের। এসময় উক্ত স্থানে মানুষের সাথে কুশল বিনিময়ে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় বাদী কৃষক দলের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি সালাউদ্দিন লিটন বলেন এলাকা বাসির অভিযোগ এর পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত কাজ সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা দেখার চেষ্টা করছি, আমি যাহা বুঝলাম কাজের মান ভালো না।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে যাহাতে কাজ সঠিক ভাবে হয় সেই বিষয়ে কথা বলব। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ এর বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন এপ্রতিবেদককে বলেন আমরা সব মাল ল‍্যাব পরিক্ষা করে দেখার পর যেটা ভালো সেইটা দিয়ে কাজ করি, আর যেগুলো ব‍্যাবহার যোগ্য না সেগুলো দিয়ে কাজ করে না। আর যারা অভিযোগ করছে তাদের বলব, তারা যদি পরিক্ষা করতে যায় তাদের জন্য সুযোগ আছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

শ‍্যামনগরের গাবুরার বেড়ীবাধে অনিয়মের অভিযোগ এলাকা বাসির

আপডেট টাইম : ১২:২৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

আবু সাঈদ : সাতক্ষীরা শ‍্যামনগরের দীপ অঞ্চল গাবুরা ইউনিয়ন এর খোল পেটুয়া নদীর বেড়ী বাধ নির্মাণে নিম্নমানের মালামাল ব‍্যাবহারের অভিযোগ এলাকা বাসির। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ কতৃক ১২ শত কোটি টাকা প্রকল্পের কাজ শুরু করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঈগল রীচ। সাতক্ষীরার শ‍্যামনগর উপজেলার অত‍্যান্ত অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ইউনিয়ন গাবুরা, ঐ ইউনিয়নে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বসবাস কিন্তু যাতয়াত ব‍্যাবস্থ নাই বললেও চলে কারণ তাদের যাতয়াত করার একমাত্র ভরসা নদী পারাপার।উক্ত ইউনিয়নের চতুর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নদী তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য খোলপেটুয়া নদীই প্রধান। ঐ ইউনিয়ন বাসির প্রতিবছর বিভিন্ন প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে ও জীবন বাজী রেখে জীবন সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়।

ঝড়,বৃষ্টি জলউচ্ছাস তার মধ্যে প্রধান সমস্যা খোলপেটুয়া নদীর বাধ ভাঙ্গন যেন তাদের প্রধান অভিসাফ। প্রতি বছর নদী ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড মেঘা প্রকল্প গ্রহণ এর মাধ্যমে ১২ মিটার বেড়ী বাধ স্থায়িত্বর জন্য সিলেকসন বালি, পাথর ও ভালো মানের সিমেন্ট দিয়ে জমাট বাধা ব্লক তৈরী করে নদীর ধার দিয়ে বসিয়ে ভেড়ীবাধ ভাঙ্গন প্রতিরোধ করছে। এলাকা বাসির অভিযোগ সিডিউল অনুযায়ী উক্ত ঠিকাদার কাজ করছে না, বালি ও পাথর এর অবস্থা খুব নিম্নমানের।

গতকাল সংবাদ কর্মীরা সরেজমিনে যেয়ে এলাকা বাসির সাথে কথা বলেন এবং উক্ত কাজের উপকরণ দেখে মনে হয় এলাকা বাসির অভিযোগ সত্য। এ বিষয়ে গনমাধ‍্যম কর্মীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম‍্যানেজার মোকতার হোসেন বলেন সিডিউলে যেভাবে কাজের ধরণ উল্লেখ আছে সেই ভাবে কাজ করছি আমরা। কিন্তু তারা সিডিউল গনমাধ‍্যম কর্মীদের দেখাতে পারিনি, শুধু তাই নয় উক্ত কাজ তদারকি করার সর্তে ইন্জীনিয়ার পরিচয়দান কারী বিধান, কাজ সম্পর্কে কোনো ধারণা দিতে পারিনি। গাবুরার ফারুক হোসেন, রমজান, বাবুসহ এলাকা বাসি অভিযোগ করে বলেন ব্লক তৈরি করার সময় সিমেন্ট কম দেয়া এবং বালি ও পাথর খুব নিম্নমানের। এসময় উক্ত স্থানে মানুষের সাথে কুশল বিনিময়ে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় বাদী কৃষক দলের সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি সালাউদ্দিন লিটন বলেন এলাকা বাসির অভিযোগ এর পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত কাজ সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা দেখার চেষ্টা করছি, আমি যাহা বুঝলাম কাজের মান ভালো না।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে যাহাতে কাজ সঠিক ভাবে হয় সেই বিষয়ে কথা বলব। সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১ এর বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী সালাউদ্দিন এপ্রতিবেদককে বলেন আমরা সব মাল ল‍্যাব পরিক্ষা করে দেখার পর যেটা ভালো সেইটা দিয়ে কাজ করি, আর যেগুলো ব‍্যাবহার যোগ্য না সেগুলো দিয়ে কাজ করে না। আর যারা অভিযোগ করছে তাদের বলব, তারা যদি পরিক্ষা করতে যায় তাদের জন্য সুযোগ আছে।