আজ ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

যশোরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭৪ বার

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের সদর উপজেলার দৌলতদিহি তরফদারপাড়া গ্রামে রেজাউল ইসলাম (৫০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল ওই গ্রামের গোলাম তরফদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে কৌশলে রেজাউলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়া হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, রেজাউলের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের জন্য কুখ্যাত ছিলেন। গ্রামবাসীর ধারণা, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

যশোরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট টাইম : ১২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের সদর উপজেলার দৌলতদিহি তরফদারপাড়া গ্রামে রেজাউল ইসলাম (৫০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল ওই গ্রামের গোলাম তরফদারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে কৌশলে রেজাউলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়া হয়। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।

কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।

এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, রেজাউলের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের জন্য কুখ্যাত ছিলেন। গ্রামবাসীর ধারণা, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।