আজ ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

  • জাতীয় ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩৯ বার

টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম বেড়েছে। বেড়েছে ডিম, পেঁয়াজ ও কিছু মাছ-মুরগির দামও। শুক্রবার (৮ আগস্ট) ঠাটারী বাজার ও কাপ্তান বাজার ঘুরে দেখা যায়, গোল বেগুনের কেজি ১৮০–২০০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০–১২০, দেশি শসা ১২০, হাইব্রিড শসা ৮০, ঝিঙ্গা ৮০, লাউ ৭০–৮০, করলা ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পটোল ৬০, বরবটি ৮০, চিচিঙ্গা ৬০, কাঁকরোল ৮০, ঢ্যাঁড়স ৬০, দেশি গাজর ৮০, চায়না গাজর ১২০–১৪০, কুমড়ো ৪০, কচুরমুখী ৬০, লেবুর হালি ৩০, কচুর লতি ৮০, আলু ২৫ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমে ১৮০–২০০ টাকায় নেমেছে।

ডিমের দাম দুই সপ্তাহে ডজনে ২০–৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিম ১৪০, সাদা ডিম ১৩০ টাকা ডজনে; হাঁসের ডিম ২০ টাকা পিস বা ডজনে ২৪০ টাকা।

পেঁয়াজের দাম দুই সপ্তাহে কেজিতে ২০–৩০ টাকা বেড়ে ৭৫–৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে, তবে ক্রেতারা বলছেন—দামের পেছনে তদারকির অভাবও দায়ী।

লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে কেজিতে ২৮০–২৯০, পাকিস্তানি বা সোনালি মুরগি ৩২০–৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছের কেজিতে ২০–৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ এক কেজির কম ২০০০–২২০০ এবং এক কেজির বেশি ২৫০০–২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের মতে, বৃষ্টিতে ফসল ও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম চড়া। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ—দাম বৃদ্ধিতে একশ্রেণির ব্যবসায়ীর মজুতদারি ও তদারকির অভাবও বড় কারণ।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

লাগামহীন পেঁয়াজের বাজার, ডজনে ডিমের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা

আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম বেড়েছে। বেড়েছে ডিম, পেঁয়াজ ও কিছু মাছ-মুরগির দামও। শুক্রবার (৮ আগস্ট) ঠাটারী বাজার ও কাপ্তান বাজার ঘুরে দেখা যায়, গোল বেগুনের কেজি ১৮০–২০০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০–১২০, দেশি শসা ১২০, হাইব্রিড শসা ৮০, ঝিঙ্গা ৮০, লাউ ৭০–৮০, করলা ১০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পটোল ৬০, বরবটি ৮০, চিচিঙ্গা ৬০, কাঁকরোল ৮০, ঢ্যাঁড়স ৬০, দেশি গাজর ৮০, চায়না গাজর ১২০–১৪০, কুমড়ো ৪০, কচুরমুখী ৬০, লেবুর হালি ৩০, কচুর লতি ৮০, আলু ২৫ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমে ১৮০–২০০ টাকায় নেমেছে।

ডিমের দাম দুই সপ্তাহে ডজনে ২০–৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে লাল ডিম ১৪০, সাদা ডিম ১৩০ টাকা ডজনে; হাঁসের ডিম ২০ টাকা পিস বা ডজনে ২৪০ টাকা।

পেঁয়াজের দাম দুই সপ্তাহে কেজিতে ২০–৩০ টাকা বেড়ে ৭৫–৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে, তবে ক্রেতারা বলছেন—দামের পেছনে তদারকির অভাবও দায়ী।

লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে কেজিতে ২৮০–২৯০, পাকিস্তানি বা সোনালি মুরগি ৩২০–৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছের কেজিতে ২০–৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ এক কেজির কম ২০০০–২২০০ এবং এক কেজির বেশি ২৫০০–২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের মতে, বৃষ্টিতে ফসল ও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম চড়া। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ—দাম বৃদ্ধিতে একশ্রেণির ব্যবসায়ীর মজুতদারি ও তদারকির অভাবও বড় কারণ।