আবু সাঈদ,সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ ধলবাড়িয়া ইউনয়নে মুসলিম সম্ভ্রানত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন এডভোকেট শেখ আব্দুস সাত্তার। তিনি ছোট বেলা থেকে খুব দুরন্ত ও চঞ্চল প্রকৃতির ছিলেন এবং তিনি সব সময় ভাবতেন মানুষের কল্যাণে কিছু করবেন। সেই উদ্দম ও মনোবল নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর অনু প্রেরণায় উদবদ্ধ হয়ে জিয়াউর মানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তে যুক্ত হয় ১৯৯৪ সালে। পরবর্তীতে বিএনপির নিবেদিত কর্মীর সুবাদে হয়ে উঠেন ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
বিএনপির সভাপতি থেকে তিনি অতি জনপ্রিয় হওয়ার সুবাদে অত্র ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভোট করে ব্যাপক ভোট এর মাধ্যমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতিও নির্বাচিত হয়। এডভোকেট শেখ আব্দুস সাত্তার তার সুচিন্তিত ও কর্মদক্ষতার প্রসারে ও কালিগজ্ঞ উপজেলা বাসির আস্থার জায়গা অর্জন করেন। পরবর্তীকালে তিনি কালিগজ্ঞ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হয় ১৯৯৬ সালে এবং ১৯৯৯ সালে ঐ উপজেলার বিএনপির সভাপতি হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি থাকা কালিন গাড়ি বহর মিথ্যা মামলায় জেল দেয় ৫ বছর, তার পর কালিগজ্জ উপজেলা বিএনপি কমিটি হলেও তাকে সদস্যও রাখিনি এবং তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ছিল। এডভোকেট শেখ আব্দুস সাত্তার এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা ছিল ২৮ টি এবং ৩টি মামলায় সাজা হয়। তিনি জেলে যাওয়ার পূর্বে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতি ২ বারের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ও বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচিত সভাপতি।
এবিষয়ে একাধিক এডভোকেট বলেন শেখ আব্দুস সাত্তার অত্যান্ত বিনয়ি ও সদালাপি ব্যাক্তি। শুধু তাই নয় আদালত পাড়া থেকে জানা যায় তিনি অত্যান্ত সাদাসিদি জীবন যাপন করেন। আদালতে সেবা নিতে আসা রহিম ও আনিসুর রহমান, দৈনিক হৃদয়ে বাংলা প্রতিবেদক কে বলেন ২৪ সালে সাতক্ষীরা জজ কোর্ট এর পিপি হন আব্দুস সাত্তার। তিনি কখনো কোনো প্রকার মানুষের উপর অবিচার ও অনৈতিক কার্যক্রম করে না, যার ফলপ্রসূ হিসাবে নিজ অফিস এর দরজায় নিজেই লিখেছেন এই অফিসে সেবা নিতে কোনো প্রকার টাকা লাগে না এবং যদি কেউ প্রতারণা করে তাহলে তাৎক্ষণিক তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে। এডভোকেট শেখ আব্দুস সাত্তার বলেন বিএনপি রাজনৈতিক কারণে মিথ্যা মামলায় জেলার ঘানিমাথায় নিয়ে আমার মা, বাবা , ভাই ও শশুরকে হারিছি। আমি মানুষের নেয়াই প্রতিষ্ঠা করার জন্য ও অসহায় মানুষের সেবা করার জন্য আইন পেশায় ৩০ বছর যুক্ত আছি এবং তিনি কোনো ঘুষ বা উপটোকেন গ্রহণ করেন না।
তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ছিলেন তিনি খ ধুলিয়া পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহসভাপতি। গাথধুলিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ছিল। ডি আর এম কলেজের বিদ্যুৎ সায়ী সদস্য ও রতন পুর তারুন নাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসায়ী সদস্য ছিলেন। তিনি যতদিন বেচে থাকবে ততদিন অসহায় মানুষের সেবা ও নেয়াই প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন ইনশাআল্লাহ।
রিপোর্টার 

















