আজ ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

“ভূমি সহকারী কর্মকর্তা” রফিকুলের দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৩২ বার

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা, শ্যামনগর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুলের বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতি সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সদ্য যোগদান করেছেন নায়েব রফিকুল ইসলাম। একজন ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তার বেতন-ভাতা সর্বসাকুল্যে ৩০/৩৫ হাজার টাকা। অভিযোগ আছে, রফিকুল ইসলামের সরকারি বেতন ভাতার সাথে জীবনযাত্রার ব্যয়ভারের কোন ভাবেই মিল নেই। তার বর্তমান জীবনযাত্রা এবং অর্জিত সম্পদ বলে দেয় সে একজন বড় মাপের দূর্নীতি গ্রস্ত। আলাদীনের চেরাগ পেয়ে হটাৎ তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছেন।

তার অফিসে কেউ পর্চা নিতে আসলে দিতে হয় ঘুষ, পর্চা প্রতি ৩শ থেকে শুরু করে ৫শ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন। জমাখারিজ বা নামজারির রেটিংটা আবার ভিন্ন ধাচের কাগজপত্র সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১১ শত ৪৫ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নিয়ম না মেনে আবেদনকারীকে দালালের হাতধরে ঘুষ দিতে হয় কমপক্ষে ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া জমির রেকর্ডে ত্রুটি বা অর্পিত সম্পত্তি বা সরকারী খাস জমি হলে জমির বর্তমান বাজার দরে শতাংশ প্রতি লাখ লাখ টাকা দিলেই নামজারী পেয়ে যায় ভুমিদস্যুরা। আর এভাবে সরকারের খাল বিল নদী-নালা ডোবা বা পতিত জমি চলে যায় ভুমিদস্যুদের দখলে। রফিকুল ইসলাম কে ঘুষ প্রদান করলে দ্রুত কাজ করে দেন, আর ঘুষ প্রদান না করলে হতে হয় নানা হয়রানির শিকার। অনুসন্ধানে পাওয়া নায়েব রফিকুলের চাকুরী জীবনে এমন সব ঘটনার বিস্তারিত নিয়েই এবারের প্রতিবেদন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদরের পারকুকরালী গ্রামের বাসিন্দা। অসচ্ছল একটি পরিবার থেকে উঠে আসা আজকের রফিকুল ইসলাম। একটা সময়ে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো। সরকারী চাকুরী নামক আলাদিনের চেরাগটি হাতে পাওয়ার পরে ঘুরে যায় তার ভাগ্যের চাকা। ঘষতে ঘষতেই গড়ে তুলেন অবৈধ সম্পদের স্বর্গরাজ্য। রয়েছে ফ্লাট, খুলনার শহরে দশ কাটার উপরে আলিশান বাড়ি, আছে গাড়ি এবং একাধিক ব্যাংক ব্যালেন্স। অবৈধ টাকায় তার স্ত্রীর নামে বানিয়েছেন সম্পদের পাহাড়। সাতক্ষীরা শহরে রয়েছে তার ব্যাপক আধিপত্য, সেকারণে তার প্রতিবেশীরা ভয়ে আতঙ্কিত ও নানা ভাবে শংকিত। তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস দেখানোর কেউ নেই। তার বিরুদ্ধে যাওয়া মানে জলে বাস করে কুমিরের সাথে লড়াই করা। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে এমন কেউ নাই যার দরজা সে চিনে না।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, টাকা ছাড়া রফিকুলের অফিসে কোনো ফাইলেই সই হয় না। অনেকেই বলছেন, টাকা দিলেও রফিকুল ইসলামের চাহিদা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেবাগ্রহীতাদের ঘুরতে হয় দিনের পর দিন হতে হয় নানা হয়রানি। জমির নামপত্তন, হাল নাগাদ খাজনা, দাখিলা কর্তন, মিউটেশনে ভুলভ্রান্তির সংশোধন, ভিপি সম্পত্তি, দেওয়ানি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, ১৪৪ ধারার পিটিশন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, এলএসডি মামলা সহ জমি সংক্রান্ত নানাবিধ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হয় ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে। কিন্তু রফিকুল ইসলাম আইনের কোন তোয়াক্কা না করেই সব কাজের ক্ষেত্রে করেন ঘুষ বাণিজ্য । সুত্র জানায়, নায়েব রফিকুলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের দপ্তরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে আছে। ভূমি সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অনুলিপি দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। অভিযোগকারী ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরা শ্যামনগর ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব রফিকুল আপাদমস্তকে একজন দুর্নীতিবাজ। টাকা ছাড়া তিনি কিছুই বোঝেনা। রফিকুল ইসলাম পূর্বের কর্মস্থলে থাকাকালীন সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুজিব বর্ষের ঘর দেওয়ার নামে এক বিধবা মহিলার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে উপায়ান্ত না পেয়ে বিধবা মহিলা নায়েব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেন। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের এক মাসের মাথায় দুর্নীতির দায়ে শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বদলি করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, নায়েব রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্ব কালীন সময় আমার ক্রয়সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত ২শতাংশ জমির নামজারি করার নিমিত্তে ভূমি অফিসে গেলে নায়েব রফিকুল আমাকে কাগজপত্রে সমস্যার কথা বলে।

এসময় তিনি বলেন ৩০ হাজার টাকা দিলে কাগজ ঠিক করার পাশাপাশি নামজারি করে দেবো। দূর্নীতিবাজ রফিকুল ধরাকে সরা জ্ঞান করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। টাকার জন্য যা খুশি তাই করে থাকেন। ঘুষের টাকায় পারকুকরালী গড়ে তুলেছেন ২টা বাড়ী, কিনেছেন বাইপাসে জমি। এছাড়াও তার নামে বে-নামে রয়েছে বিস্তর সম্পদ। চলাফেরা করেন ২ লাখ মূল্যের একটি ডিসকাভার ১৩৫ সিসির গাড়িতে। এব্যাপারে রফিকুল ইসলামের ব্যবহৃত নম্বরে একাধিক বার আলাপের চেষ্টা কালে কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শোয়াইব আহমেদ শ্যামনগর ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব রফিকুল ইসলাম দুর্নীতির দায়ে বদলীর সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

“ভূমি সহকারী কর্মকর্তা” রফিকুলের দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য

আপডেট টাইম : ০৭:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা, শ্যামনগর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুলের বিরুদ্ধে নানা দূর্নীতি সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সদ্য যোগদান করেছেন নায়েব রফিকুল ইসলাম। একজন ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তার বেতন-ভাতা সর্বসাকুল্যে ৩০/৩৫ হাজার টাকা। অভিযোগ আছে, রফিকুল ইসলামের সরকারি বেতন ভাতার সাথে জীবনযাত্রার ব্যয়ভারের কোন ভাবেই মিল নেই। তার বর্তমান জীবনযাত্রা এবং অর্জিত সম্পদ বলে দেয় সে একজন বড় মাপের দূর্নীতি গ্রস্ত। আলাদীনের চেরাগ পেয়ে হটাৎ তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছেন।

তার অফিসে কেউ পর্চা নিতে আসলে দিতে হয় ঘুষ, পর্চা প্রতি ৩শ থেকে শুরু করে ৫শ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন। জমাখারিজ বা নামজারির রেটিংটা আবার ভিন্ন ধাচের কাগজপত্র সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ১১ শত ৪৫ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নিয়ম না মেনে আবেদনকারীকে দালালের হাতধরে ঘুষ দিতে হয় কমপক্ষে ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া জমির রেকর্ডে ত্রুটি বা অর্পিত সম্পত্তি বা সরকারী খাস জমি হলে জমির বর্তমান বাজার দরে শতাংশ প্রতি লাখ লাখ টাকা দিলেই নামজারী পেয়ে যায় ভুমিদস্যুরা। আর এভাবে সরকারের খাল বিল নদী-নালা ডোবা বা পতিত জমি চলে যায় ভুমিদস্যুদের দখলে। রফিকুল ইসলাম কে ঘুষ প্রদান করলে দ্রুত কাজ করে দেন, আর ঘুষ প্রদান না করলে হতে হয় নানা হয়রানির শিকার। অনুসন্ধানে পাওয়া নায়েব রফিকুলের চাকুরী জীবনে এমন সব ঘটনার বিস্তারিত নিয়েই এবারের প্রতিবেদন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদরের পারকুকরালী গ্রামের বাসিন্দা। অসচ্ছল একটি পরিবার থেকে উঠে আসা আজকের রফিকুল ইসলাম। একটা সময়ে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো। সরকারী চাকুরী নামক আলাদিনের চেরাগটি হাতে পাওয়ার পরে ঘুরে যায় তার ভাগ্যের চাকা। ঘষতে ঘষতেই গড়ে তুলেন অবৈধ সম্পদের স্বর্গরাজ্য। রয়েছে ফ্লাট, খুলনার শহরে দশ কাটার উপরে আলিশান বাড়ি, আছে গাড়ি এবং একাধিক ব্যাংক ব্যালেন্স। অবৈধ টাকায় তার স্ত্রীর নামে বানিয়েছেন সম্পদের পাহাড়। সাতক্ষীরা শহরে রয়েছে তার ব্যাপক আধিপত্য, সেকারণে তার প্রতিবেশীরা ভয়ে আতঙ্কিত ও নানা ভাবে শংকিত। তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস দেখানোর কেউ নেই। তার বিরুদ্ধে যাওয়া মানে জলে বাস করে কুমিরের সাথে লড়াই করা। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে এমন কেউ নাই যার দরজা সে চিনে না।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, টাকা ছাড়া রফিকুলের অফিসে কোনো ফাইলেই সই হয় না। অনেকেই বলছেন, টাকা দিলেও রফিকুল ইসলামের চাহিদা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেবাগ্রহীতাদের ঘুরতে হয় দিনের পর দিন হতে হয় নানা হয়রানি। জমির নামপত্তন, হাল নাগাদ খাজনা, দাখিলা কর্তন, মিউটেশনে ভুলভ্রান্তির সংশোধন, ভিপি সম্পত্তি, দেওয়ানি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, ১৪৪ ধারার পিটিশন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, এলএসডি মামলা সহ জমি সংক্রান্ত নানাবিধ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হয় ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে। কিন্তু রফিকুল ইসলাম আইনের কোন তোয়াক্কা না করেই সব কাজের ক্ষেত্রে করেন ঘুষ বাণিজ্য । সুত্র জানায়, নায়েব রফিকুলের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের দপ্তরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে আছে। ভূমি সচিব ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অনুলিপি দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। অভিযোগকারী ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শান্তির দাবি জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরা শ্যামনগর ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব রফিকুল আপাদমস্তকে একজন দুর্নীতিবাজ। টাকা ছাড়া তিনি কিছুই বোঝেনা। রফিকুল ইসলাম পূর্বের কর্মস্থলে থাকাকালীন সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুজিব বর্ষের ঘর দেওয়ার নামে এক বিধবা মহিলার কাছ থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে উপায়ান্ত না পেয়ে বিধবা মহিলা নায়েব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেন। এছাড়া সাতক্ষীরা সদর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের এক মাসের মাথায় দুর্নীতির দায়ে শ্যামনগর উপজেলার ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়নে বদলি করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী জানান, নায়েব রফিকুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্ব কালীন সময় আমার ক্রয়সুত্রে মালিকানা প্রাপ্ত ২শতাংশ জমির নামজারি করার নিমিত্তে ভূমি অফিসে গেলে নায়েব রফিকুল আমাকে কাগজপত্রে সমস্যার কথা বলে।

এসময় তিনি বলেন ৩০ হাজার টাকা দিলে কাগজ ঠিক করার পাশাপাশি নামজারি করে দেবো। দূর্নীতিবাজ রফিকুল ধরাকে সরা জ্ঞান করতেও দ্বিধাবোধ করেনা। টাকার জন্য যা খুশি তাই করে থাকেন। ঘুষের টাকায় পারকুকরালী গড়ে তুলেছেন ২টা বাড়ী, কিনেছেন বাইপাসে জমি। এছাড়াও তার নামে বে-নামে রয়েছে বিস্তর সম্পদ। চলাফেরা করেন ২ লাখ মূল্যের একটি ডিসকাভার ১৩৫ সিসির গাড়িতে। এব্যাপারে রফিকুল ইসলামের ব্যবহৃত নম্বরে একাধিক বার আলাপের চেষ্টা কালে কলটি গ্রহণ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শোয়াইব আহমেদ শ্যামনগর ১১ নং পদ্মপুকুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব রফিকুল ইসলাম দুর্নীতির দায়ে বদলীর সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।