দৈনিক পত্রদূত, দৈনিক বাংলার ভোর পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকায় কৃষ্ঞনগর ইউপি চেয়ারম্যান শাফিয়া পারভীন সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা শিরোনামে এবং অন্যান্ন্য পত্রিকায় ভিন্ন শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাহা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদ সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট , সংবাদদে আরো উল্লেখ্য যে ১৪ দলের ক্ষমতার সময় নিয়োগ বানিয্য ও অবৈধভাবে অর্থ উপার্জিত টাকা ভাগাভাগি কেন্দ্র করে ১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কৃষ্ঞনগর ইউপি চেয়ারম্যান খুনের যে অভিযোগ করা হয় এটি কোনো ক্রমে সত্য না।
এবং অত্র ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল কে হয়রানিমূলক আসামি করা হয়নি, মোশারফ চেয়ারম্যান এর হত্যা করার জন্য ঐ ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল সরাসরি জড়িত শুধু তাই নয় অত্র ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ এর এতটা জনপ্রিয় ছিল যে তিনি ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীদের ঐ এলাকার জনগণ ভোট দিত না যার কারনে জলিল নেতৃত্বে মোশারফ চেয়ারম্যান কে হত্যা করে। এর পিছনে কারণ ছিল যাহাতে জলিল নির্ধিদায় চেয়ারম্যান হতে পারে। উক্ত হত্যা মামলায় আরজি বনিত আসামির মধ্যে জলিল কে পুলিশ আটক করে এক পর্যায় জনগণের ক্ষোপের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে হাজার হাজার জনতার রোষানলে পড়ে জলিল এর মৃত্যু ঘটে।
এটা নিয়ে থানায় একটি মামলা হয় এবং সেই মামলার তদন্তে পুলিশ সরাসরি কাউকে জড়িত না পেয়ে ফাইনাল দেয়। ঐ ঘটনায় সাফিয়া চেয়ারম্যান এর কোনো ব্যক্তি বা গুন্ডা বাহিনী নামে কেউ জড়িত না এবং কোনো গুন্ডা বাহিনী নেই। আমাকে জড়িয়ে ও পুলিশ কে জড়িয়ে যে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক, মন গড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি উক্ত সংবাদ এর তিব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রতিবাদ কারী
সাফিয়া পারভীন
রিপোর্টার 














