সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: কালীগঞ্জ কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি মেম্বর ও ডাকাত আব্দুল জলিল হত্যা ঘটনার ৬ বছর পর কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নেত্রী বহুল আলোচিত সাফিয়া পারভীন সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি সাতক্ষীরা পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর নিহত ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের মামা মিনারুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ ১ নং আমলী কালী:আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলা নং ৭৮৫/২৪ মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন উপজেলার শংকরপুর গ্রামের মৃত মুনসুর কাগুজির পুত্র আজিবর কাগুজি, রুহুল আমিন গাজীর পুত্র সিরাজ গাজী, মোসলেম তরফদারের পুত্র আমিনুর রহমান, নেংগী গ্রামের মৃত মোমিন গাজীর পুত্র জাবেদ মেম্বার, কৃষ্ণনগর গ্রামের কানাই ঘোষের পুত্র গোবিন্দ ঘোষ, সোহরাব কাগুজির পুত্র আনিসুর কাগুজি, মুনসুর গাজীর পুত্র আমিনুর, মৃত সাধন ঘোষের পুত্র সুশান্ত ঘোষ, মোসলেম কাগুজির পুত্র মোহাসিন, সোতা গ্রামের তোহার আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম, মানপুর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর পুত্র ইয়াছিন আলী ওরফে হোঁছট বাবু, আলী গাজীর পুত্র রমজান গাজী, মৃত আরমান কাগুজির পুত্র আক্তার ও মোক্তার, সফেদ আলীর পুত্র মোস্তফা সরদার, রামনগর গ্রামের শেখ ফারুক হোসেনের পুত্র শাহিনুর রহমান, আলিমুদ্দিনের পুত্র নজরুল ইসলাম, গোবিন্দপুর গ্রামের জয়নাল গাজীর পুত্র মজিবর, শোতা গ্রামের আদম গাজীর পুত্র আজিজুল গাজী, শ্যামনগর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের আলহাজ্ব মুজিবর, গোবিন্দপুর ফয়সাল গাজী।
মামলা সূত্রে জানা যায় নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা ভাগা ভাগিকে কেন্দ্র করে ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে প্রকাশ্যে কুপিয়ে তৎকালীন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক কে,এম মোশারফ হোসেনকে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। উক্ত মামলায় জলিলকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ওই মামলায় ১৫ সেপ্টেম্বর জলিলকে গ্রেফতার দেখাইয়ে পুলিশ নাটক সাজিয়ে কৃষ্ণনগর বাজারে ফেলে উল্লিখিত আসামিরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে। উক্ত ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হলেও পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
রিপোর্টার 

















