আজ ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

মৎস্য ঘের দখল ও লুটের অভিযোগের তদন্ত : আদালতের শরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪
  • ১৯৪ বার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঘোনায় মৎস্য ঘের দখল ও লুটের অভিযোগে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালিত হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে সুরভী সুলতানার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৬ সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষের শুনানি হয় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রশাসন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানা যায়, মোনায়েম সরদার পূর্বে উক্ত মৎস্য ঘেরটি দখলে রেখেছিলেন। ২০১৬ সালে সুরভী সুলতানার পিতা মো. ফজলুর রহমান ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় আপোষনামার মাধ্যমে ঘেরটি দখলে নেন। তবে, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর মোনায়েম সরদার আবার ঘেরটি পুনরায় দখলে নিয়ে নেন, যেখানে সুরভী সুলতানার উৎপাদিত মাছ ছিল। তদন্তে আরো উঠে আসে যে, উভয় পক্ষের লীজ ডিডগুলো অনিবন্ধিত এবং ভূমি মালিকদের মধ্যে কোনো পক্ষই পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আদালতের শরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্তের জন্য আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মৎস্য ঘের দখল ও লুটের অভিযোগের তদন্ত : আদালতের শরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ

আপডেট টাইম : ১১:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঘোনায় মৎস্য ঘের দখল ও লুটের অভিযোগে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালিত হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে সুরভী সুলতানার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৬ সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষের শুনানি হয় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা প্রশাসন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানা যায়, মোনায়েম সরদার পূর্বে উক্ত মৎস্য ঘেরটি দখলে রেখেছিলেন। ২০১৬ সালে সুরভী সুলতানার পিতা মো. ফজলুর রহমান ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় আপোষনামার মাধ্যমে ঘেরটি দখলে নেন। তবে, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর মোনায়েম সরদার আবার ঘেরটি পুনরায় দখলে নিয়ে নেন, যেখানে সুরভী সুলতানার উৎপাদিত মাছ ছিল। তদন্তে আরো উঠে আসে যে, উভয় পক্ষের লীজ ডিডগুলো অনিবন্ধিত এবং ভূমি মালিকদের মধ্যে কোনো পক্ষই পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আদালতের শরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে আরো তদন্তের জন্য আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।