আজ ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সাতক্ষীরা সিটি কলেজে অস্থিতিশীলতার জন্য অবসরপ্রাপ্ত উপাধাক্ষ মুকুল দায়ী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১২:৫১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৫৩ বার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সিটি কলেজকে অস্থিতিশীল করার জন্য এই কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপাধাক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল দায়ী। কলারোয়ায় যার বাড়ি, মুকুল স্যার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা এনামুল হক করিমের নির্দেশে কলারোয়া থেকে অল্প বয়সী ছেলেদেরকে নিয়ে এসে কলেজকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বৃহস্পতিবার। অ্যাডহক কমিটি গঠনের পর প্রায় এক মাস পূর্ণ হয়েছে, সাধারণ শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সভাপতি মহোদয় একটি অর্থ কমিটি এবং একটি অডিট কমিটি তৈরি করে দেন সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তাং। একই সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। সিটি কলেজের ২০০৪ /৫ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রির ছাত্র এডভোকেট আরিফুর রহমান আলোকে হিতৈষী সদস্য মনোনীত করেন । যাহা সাধারণ শিক্ষক বৃন্দের নিকট অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে অভ্যন্তরীন অডিট সম্পন্ন করেন। উক্ত অডিট ও নিরীক্ষায় দেখা যায় যে গত ১৭ মাসে বর্তমান অধ্যক্ষ প্রায় কোটি টাকার মতো আত্মসাৎ করেছেন।যে কারণে নতুন সভাপতি অত্র কলেজের শিক্ষক এবং কর্মচারীবৃন্দের নিকট অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাছাড়া সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মনিরুজ্জামান সম্পর্কে যেটা বলা হয়েছে সেটি সঠিক নয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজে পরিবেশ নষ্ট করার জন্য গণিত শিক্ষক মিজান আলী ও কলারোয়ার সোনা বাড়িয়া কলেজের বরখাস্ত কৃত শিক্ষক বিএম ইউনূস কে ব্যবহার করেছেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরা সিটি কলেজে অস্থিতিশীলতার জন্য অবসরপ্রাপ্ত উপাধাক্ষ মুকুল দায়ী

আপডেট টাইম : ১২:৫১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সিটি কলেজকে অস্থিতিশীল করার জন্য এই কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপাধাক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল দায়ী। কলারোয়ায় যার বাড়ি, মুকুল স্যার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির নেতা এনামুল হক করিমের নির্দেশে কলারোয়া থেকে অল্প বয়সী ছেলেদেরকে নিয়ে এসে কলেজকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বৃহস্পতিবার। অ্যাডহক কমিটি গঠনের পর প্রায় এক মাস পূর্ণ হয়েছে, সাধারণ শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিদ্ধান্ত মোতাবেক সভাপতি মহোদয় একটি অর্থ কমিটি এবং একটি অডিট কমিটি তৈরি করে দেন সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তাং। একই সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। সিটি কলেজের ২০০৪ /৫ শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রির ছাত্র এডভোকেট আরিফুর রহমান আলোকে হিতৈষী সদস্য মনোনীত করেন । যাহা সাধারণ শিক্ষক বৃন্দের নিকট অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে অভ্যন্তরীন অডিট সম্পন্ন করেন। উক্ত অডিট ও নিরীক্ষায় দেখা যায় যে গত ১৭ মাসে বর্তমান অধ্যক্ষ প্রায় কোটি টাকার মতো আত্মসাৎ করেছেন।যে কারণে নতুন সভাপতি অত্র কলেজের শিক্ষক এবং কর্মচারীবৃন্দের নিকট অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাছাড়া সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মনিরুজ্জামান সম্পর্কে যেটা বলা হয়েছে সেটি সঠিক নয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজে পরিবেশ নষ্ট করার জন্য গণিত শিক্ষক মিজান আলী ও কলারোয়ার সোনা বাড়িয়া কলেজের বরখাস্ত কৃত শিক্ষক বিএম ইউনূস কে ব্যবহার করেছেন।