আজ ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম ::
সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা জাতীয়তাবাদী সাইবার দল সাতক্ষীরা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিক  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানালেন প্রধান উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের পরিচিতি সভা ও কমিটি ঘোষণা তালায় ঘরের সানসেট ধসে নারীর মৃত্যু সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়া সম্ভব: ড. ইউনূস স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন সোহান

সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৪ বার

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগটি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সাজ্জাদ হুসাইন। এ বিষয়ে তিনি গতকাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগপত্রে সাজ্জাদ হুসাইন বলেন, বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় তিনি স্কুলের ল্যাপটপ আইসিটি ও উপবৃত্তির কাজে ব্যবহারের বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জানতে চান। ওই কর্মকর্তা তাঁকে ল্যাপটপ ব্যবহারের অনুমতি আছে বলে জানান। এরপর সাজ্জাদ অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে নির্দিষ্ট একজন শিক্ষক ছাড়া ল্যাপটপ ব্যবহার করতে দেন না। এ কথা বলার পর সহকারী শিক্ষক আবু মুছা তাঁকে গলা ধাক্কা দেন, অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পর আবু মুছা ও আরেক সহকারী শিক্ষক ডালিয়া আহমেদ তাঁকে গুলি করে হত্যার পর ঘেরের চরে পুঁতে রাখার হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন। সাজ্জাদ হুসাইন আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক নিয়মিত সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করেন না এবং বিদ্যালয়ে সময়মতো আসা-যাওয়া ও শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। এসব কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসংখ্যা কমে ৫০ জনের নিচে নেমে এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর ১৮ আগস্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে অভিযোগটি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সাজ্জাদ হুসাইনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে বিদ্যালয়ের আরেক সহকারী শিক্ষক প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগটি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সাজ্জাদ হুসাইন। এ বিষয়ে তিনি গতকাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগপত্রে সাজ্জাদ হুসাইন বলেন, বিদ্যালয় পরিদর্শনের সময় তিনি স্কুলের ল্যাপটপ আইসিটি ও উপবৃত্তির কাজে ব্যবহারের বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জানতে চান। ওই কর্মকর্তা তাঁকে ল্যাপটপ ব্যবহারের অনুমতি আছে বলে জানান। এরপর সাজ্জাদ অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক তাঁকে নির্দিষ্ট একজন শিক্ষক ছাড়া ল্যাপটপ ব্যবহার করতে দেন না। এ কথা বলার পর সহকারী শিক্ষক আবু মুছা তাঁকে গলা ধাক্কা দেন, অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পর আবু মুছা ও আরেক সহকারী শিক্ষক ডালিয়া আহমেদ তাঁকে গুলি করে হত্যার পর ঘেরের চরে পুঁতে রাখার হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন। সাজ্জাদ হুসাইন আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন শিক্ষক নিয়মিত সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করেন না এবং বিদ্যালয়ে সময়মতো আসা-যাওয়া ও শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। এসব কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসংখ্যা কমে ৫০ জনের নিচে নেমে এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর ১৮ আগস্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে অভিযোগটি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সাজ্জাদ হুসাইনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হয়েছে।