আজ ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম ::
সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, দরজায় ঝুলল আদালতের নোটিশ সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা জাতীয়তাবাদী সাইবার দল সাতক্ষীরা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিক  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানালেন প্রধান উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের পরিচিতি সভা ও কমিটি ঘোষণা তালায় ঘরের সানসেট ধসে নারীর মৃত্যু সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়া সম্ভব: ড. ইউনূস

আশাশুনিতে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে মালামাল লুট

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৯৮ বার

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২২ আগস্ট) ভোর রাত ২টার দিকে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দার গাইনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অচেতন অবস্থায় পরিবারের তিন সদস্যকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আব্দার গাইনের নাতনী কানিজ ফাতেমা মিম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সবাই খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাত তিনটার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বারান্দার গ্রিল খোলা এবং ঘরের ভেতর সব এলোমেলো। দাদা-দাদী ও চাচা-চাচীকে ডাকলেও তারা সাড়া দেননি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দাদী কোহিনুর বেগম (৬০), চাচা মনিরুল ইসলাম ও চাচী আসমা খাতুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধার বড় মেয়ে পুতুল বেগম ও নাতনী মিম জানান, আলমারি ভেঙে নগদ ৯৫ হাজার টাকা, স্বর্ণের রুলি, চেইন, নেকলেস, ঝুমকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এর মূল্য প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকা।

পুতুল বেগম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পিছনের আমগাছে উঠে ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে সবাইকে অচেতন করা হয়েছে। তবে মিমের ঘরে প্রবেশ করতে না পারায় সে অক্ষত ছিল। প্রতিবেশীরা জানান, গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই বাড়ি থেকে ছয়টি গরু চুরি হয়েছিল।

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামছুল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে এসআই অনাথ মিত্র ও এসআই ফয়সাল ঘটনাস্থলে গেছেন। এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, দরজায় ঝুলল আদালতের নোটিশ

আশাশুনিতে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে মালামাল লুট

আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২২ আগস্ট) ভোর রাত ২টার দিকে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দার গাইনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অচেতন অবস্থায় পরিবারের তিন সদস্যকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আব্দার গাইনের নাতনী কানিজ ফাতেমা মিম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সবাই খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাত তিনটার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, বারান্দার গ্রিল খোলা এবং ঘরের ভেতর সব এলোমেলো। দাদা-দাদী ও চাচা-চাচীকে ডাকলেও তারা সাড়া দেননি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দাদী কোহিনুর বেগম (৬০), চাচা মনিরুল ইসলাম ও চাচী আসমা খাতুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধার বড় মেয়ে পুতুল বেগম ও নাতনী মিম জানান, আলমারি ভেঙে নগদ ৯৫ হাজার টাকা, স্বর্ণের রুলি, চেইন, নেকলেস, ঝুমকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এর মূল্য প্রায় ১১ লক্ষাধিক টাকা।

পুতুল বেগম জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ির পিছনের আমগাছে উঠে ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে চেতনানাশক স্প্রে ছিটিয়ে সবাইকে অচেতন করা হয়েছে। তবে মিমের ঘরে প্রবেশ করতে না পারায় সে অক্ষত ছিল। প্রতিবেশীরা জানান, গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই বাড়ি থেকে ছয়টি গরু চুরি হয়েছিল।

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামছুল আরেফিন জানান, খবর পেয়ে এসআই অনাথ মিত্র ও এসআই ফয়সাল ঘটনাস্থলে গেছেন। এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।