চুন আর সুরকি দিয়ে বিট্রিশ আমলের তৈরি খুলনা সদর সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের একতলা ভবন। রিপেয়ারের অভাবে ভবনের বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার খসে পড়ছে। এর আগে ওই ভবনের প্রশাসনিক কার্যালয়টির ছাদের প্লাস্টার সম্পূর্ণ চটে পড়ে। তখন কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। পরবর্তীতে সেখানকার কর্মকর্তারা বাঁশ এবং নেটের ছাউনি দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। নিরাপত্তাহীন ভবন জেনেও সেখানকার কর্মকর্তারা জীবন এবং জীবিকার তাগিদে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
সর্বশেষ গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে ওই ভবনের ছাদের মাঝ অংশ ভেঙ্গে পড়ে। তবে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও বিপত্তি বেঁধে বৃষ্টিতে সেখাকার কয়েক শত বই পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। তা পুনরুদ্ধারে কর্মকর্তাদের চেষ্টা চলছে। তবে সেখানকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এভাবে আর কতক্ষণ। সবকিছুরই উন্নয়ন হয়েছে কিন্তু উন্নয়ন হলো না খুলনার এই প্রাচীন ভবনটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পাশে রয়েছে সদর সাব রোজিস্ট্রির কার্যালয়। এটি খুলনার প্রাচীন একটি ভবন। ভবনটিতে রয়েছে খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার জমির মূল্যবান কাগজপত্র। সেখান থেকে মানুষ জমি বিক্রি এবং কাগজ উঠানোর কাজ করেন। গত কয়েক বছর সংস্কারের অভাবে ভবনটির বিভিন্ন অংশের দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে। সবশেষ গত দু’বছর আগে ওই ভবনের প্রশাসনিক কার্যালয়ের পুরো ছাদের প্লাস্টারটি খসে পড়ে গিয়ে কয়েকজন আহত হন।
জানতে চাইলে খুলনা সদর রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড কিপার মাহবুবুর রহমান জানান, ভবনটির বিভিন্ন অংশ থেকে পানি পড়ছে। প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। গত কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে মঙ্গলবার ভোরের দিকে ভবনটির মাঝখানের ছাদের একাংশ পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিতে সেখানে রাখা প্রায় শতখানেক বই পানিতে ভিজে গেছে। বৃষ্টির পানি না আসতে পারে সেজন্য ছাদের ওপর পলিথিন দিয়ে চারজন শ্রমিকের মাধ্যমে রেকর্ড রুম পরিস্কার করা হচ্ছে। আর পানিতে যে ভলিয়ম বইগুলো ভিজে গিয়েছে তা সংরক্ষণের চেষ্টা চলছে ।
রিপোর্টার 















