আজ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
আরও মাসখানেক লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

টেলিযোগাযোগ খাতের দুর্নীতি তদন্তেও কাজ করছে আলাদা টাস্কফোর্স

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:৩১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • ১৬৭ বার

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে গঠিত আইসিটি শ্বেতপত্র টাস্কফোর্স নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। আজ ২১ জুন ছিল জমার শেষ সময়। তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়ায় আরও এক মাস সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী জানান, টাস্কফোর্সকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে এবং তারা সময় চেয়েছে। টাস্কফোর্স খাতটির দুর্নীতি অনুসন্ধানে কাজ করছে।

টাস্কফোর্স গঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। এর প্রধান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ। সদস্যরা হলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হোসেন, ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহমুদ সালাম মারুফ, সাংবাদিক মো. শরিয়ত উল্যাহ এবং প্রধান সমন্বয়কারী আসিফ শাহরিয়ার সুস্মিত।

টাস্কফোর্সের দায়িত্ব ১৫ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখা এবং শ্বেতপত্র প্রকাশ। তারা বিগত সরকারের চুক্তি, প্রকল্প, অডিট ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, টাস্কফোর্স ২১ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। তবে কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ জানান, চূড়ান্ত প্রতিবেদনের আগে নাগরিক ও অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের দুর্নীতির তদন্তে আরও একটি টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে ২১ এপ্রিল। এটির আহ্বায়ক বুয়েটের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহসহ ছয়জন বিশেষজ্ঞ। এ টাস্কফোর্সকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

আরও মাসখানেক লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা

টেলিযোগাযোগ খাতের দুর্নীতি তদন্তেও কাজ করছে আলাদা টাস্কফোর্স

আপডেট টাইম : ১০:৩১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতের অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে গঠিত আইসিটি শ্বেতপত্র টাস্কফোর্স নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। আজ ২১ জুন ছিল জমার শেষ সময়। তবে অনুসন্ধান শেষ না হওয়ায় আরও এক মাস সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।

আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী জানান, টাস্কফোর্সকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে এবং তারা সময় চেয়েছে। টাস্কফোর্স খাতটির দুর্নীতি অনুসন্ধানে কাজ করছে।

টাস্কফোর্স গঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। এর প্রধান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ। সদস্যরা হলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ মুস্তাফা হোসেন, ব্যারিস্টার আফজাল জামি সৈয়দ আলী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মাহমুদ সালাম মারুফ, সাংবাদিক মো. শরিয়ত উল্যাহ এবং প্রধান সমন্বয়কারী আসিফ শাহরিয়ার সুস্মিত।

টাস্কফোর্সের দায়িত্ব ১৫ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি খতিয়ে দেখা এবং শ্বেতপত্র প্রকাশ। তারা বিগত সরকারের চুক্তি, প্রকল্প, অডিট ও তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, টাস্কফোর্স ২১ জুনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। তবে কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ জানান, চূড়ান্ত প্রতিবেদনের আগে নাগরিক ও অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের দুর্নীতির তদন্তে আরও একটি টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে ২১ এপ্রিল। এটির আহ্বায়ক বুয়েটের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহসহ ছয়জন বিশেষজ্ঞ। এ টাস্কফোর্সকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।