আজ ০১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সাতক্ষীরায় ষড়যন্ত্রমূল মিথ্যে মামলার দায় থেকে পিতার অব্যহতির দাবিতে ছেলে সংবাদ সম্মেলন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • ১৭০ বার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জের ধরে বাড়ির ছাদে টিফিন বাটিতে করে গুলি ও বিষ্ফোরক দ্রব্য রেখে যৌথবাহিনী দিয়ে এক ব্যক্তিকে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১ মার্চ) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার ধৃত মোঃ আজহরুল হকের ছেলে মোঃ বাবলু হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার পিতা আজহরুল হক একজন হোটেল ব্যবসায়ি। শহরের সার্কিট হাউজ মোড়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। প্রতিবেশি সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে আবু মুছার সাথে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিমার্ণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে নিজেকে গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স পরিচয়দানকারি আবু মুছা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার চেষ্টা করে আসছিল।

একপর্যায় কে বা কারা গোপনে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোন এক সময় একটি টিফিন বাটিতে করে ১০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ও গান পাউডার সাদৃশ্য কিছু বস্তু আমাদের বাড়ির ছাদে রেখে দিয়ে যৌথবাহিনীকে খবর দেয়। পরে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর আড়াইটার দিকে যৌথবাহিনী আমাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। প্রায় একঘন্টা ধরে বাড়ি তল্লাশীকালে কোন কিছু না পাওয়ার একপর্যায় সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, বাড়ির ছাদে রাখা একটি টিফিন বাটিতে গুলি রয়েছে। পরে যৌথবাহিনীর সদস্যরা বাড়ির ছাদ থেকে একটি টিফিন বাটি উদ্ধার করে। পরে যৌথবাহিনী আমার পিতা মোঃ আজহরুল হককে ধরে নিয়ে সদর থানায় সোপর্দ করে।

মোঃ বাবলু হক অভিযোগ করে বলেন, বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিবেশী আবু মুছা পরিকল্পিতভাবে আমার পিতাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় এলাকাবসাীর মধ্যে দারুন ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। আমার পিতার মুক্তির জন্য এলাকার তিনশতাধিক লোক গণস্বাক্ষর দিয়েছে। আমি এঘটনায় সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আমার পিতার নামে দায়ের করা মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার পূর্বক দ্রুত তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

তিনি ষড়যন্ত্রমূল মিথ্যে মামলার দায় থেকে পিতা মোঃ আজহারুল হককে অব্যহতি দিয়ে দ্রুত তার মুক্তির জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তেক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরায় ষড়যন্ত্রমূল মিথ্যে মামলার দায় থেকে পিতার অব্যহতির দাবিতে ছেলে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : ১০:০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জের ধরে বাড়ির ছাদে টিফিন বাটিতে করে গুলি ও বিষ্ফোরক দ্রব্য রেখে যৌথবাহিনী দিয়ে এক ব্যক্তিকে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১ মার্চ) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার ধৃত মোঃ আজহরুল হকের ছেলে মোঃ বাবলু হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার পিতা আজহরুল হক একজন হোটেল ব্যবসায়ি। শহরের সার্কিট হাউজ মোড়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে হোটেল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। প্রতিবেশি সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে আবু মুছার সাথে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিমার্ণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে নিজেকে গোয়েন্দা সংস্থার সোর্স পরিচয়দানকারি আবু মুছা বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করার চেষ্টা করে আসছিল।

একপর্যায় কে বা কারা গোপনে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোন এক সময় একটি টিফিন বাটিতে করে ১০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ও গান পাউডার সাদৃশ্য কিছু বস্তু আমাদের বাড়ির ছাদে রেখে দিয়ে যৌথবাহিনীকে খবর দেয়। পরে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর আড়াইটার দিকে যৌথবাহিনী আমাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। প্রায় একঘন্টা ধরে বাড়ি তল্লাশীকালে কোন কিছু না পাওয়ার একপর্যায় সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, বাড়ির ছাদে রাখা একটি টিফিন বাটিতে গুলি রয়েছে। পরে যৌথবাহিনীর সদস্যরা বাড়ির ছাদ থেকে একটি টিফিন বাটি উদ্ধার করে। পরে যৌথবাহিনী আমার পিতা মোঃ আজহরুল হককে ধরে নিয়ে সদর থানায় সোপর্দ করে।

মোঃ বাবলু হক অভিযোগ করে বলেন, বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে প্রতিবেশী আবু মুছা পরিকল্পিতভাবে আমার পিতাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয় এলাকাবসাীর মধ্যে দারুন ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। আমার পিতার মুক্তির জন্য এলাকার তিনশতাধিক লোক গণস্বাক্ষর দিয়েছে। আমি এঘটনায় সুষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আমার পিতার নামে দায়ের করা মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার পূর্বক দ্রুত তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।

তিনি ষড়যন্ত্রমূল মিথ্যে মামলার দায় থেকে পিতা মোঃ আজহারুল হককে অব্যহতি দিয়ে দ্রুত তার মুক্তির জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তেক্ষেপ কামনা করেন।