আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরাতেই বেশি জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছে মানুষ শুধু তাই নয় সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের বাইরে মনে করতেন তারা। এ জন্যই তারা আজ পালিয়ে গেছে কিন্তু যারা প্রকৃত দেশ প্রেমিক তারা কখনো পালিয়ে যায় না নিজের দেশ ছেড়ে। বাংলাদেশের মধ্যে জামায়াতের ঘাটি হিসাবে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। আল্লাহ্ যাদেরকে হেদায়েত দেয়না তারা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাস হয়। আর যাদের হেদায়েত দেয় তারা সফল হয়।
দেশের মধ্যে সাতক্ষীরার উপর ব্যপক নির্যাতন করেছে হায়েনার মত মানুষ হত্যা করে যাদেরকে শহীদ করেছে, তাদের লাশের উপর দাঁড়িয়ে নৃত্য করেছে দেশের সর্বোচ্চ জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েও সাতক্ষীরার মানুষ জামায়াত ইসলামীকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে লগী বৈঠা নিয়ে দেশের মানুষের উপর আওয়ামী লীগ নানান ভাবে হত্যা যোগ্য সহ বাড়ি ঘর লুন্ঠন, জায়গা জমি দখল, আমনকি মানুষের বাকস্বাধীনতারও সুযোগ নষ্ট করেছিল পরবর্তী সময়ে।
২ হাজার এর মত জামায়াতের নেতৃবৃন্দের ধরে ধরে হত্যা করেছে। বিচারের নামে জামায়াতের আমির নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কাদের মোল্লা, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীসহ অসংখ্য জামায়াতের লোকজন কে হত্যা করেছে ঐ জালীম আওয়ামী লীগ সরকার। ওরা যে ভুল করেছে জামায়াত সে ভুল করিনি এবং আমরা কাউকে নির্যাতন করিনি তার পরও ওরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, আমরা পালাইনি কারণ দেশ আমাদের, দেশের মানুষের সাথে আমাদের ভালো বাসা আছে।
২০১৫ সালে আমি সহ জামায়াতের কয়েকজন ব্যক্তি মটরসাইকেল নিয়ে সাতক্ষীরার জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের খোঁজ খবর নিয়েছি তাতে করে দেখলাম সাতক্ষীরায় কোনো উন্নয়ন করিনি ফ্যাসিবাদ সরকার। তারা জনগণের টাকা নিয়ে বিদেশে বেগম পাড়া করেছে আর এখন বিভিন্ন ভাবে উস্কানি দিচ্ছে কিন্তু আমরা ওদের ফাদে পা দেবনা। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী কখনো কারও অন্যায় করে না এবং অন্যায় করতে দেয়না, বরং যারা আমাদের বিরোধী করেছে তারাই আজ নিস্তব্ধ হয়েগেছে। উপরক্ত কথাগুলো বলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।
শনিবার দুপুর ২ টার সময় সাতক্ষীরা শহরের সরকারি বালক স্কুলের মাঠে জেলা জামায়াতের আয়োজনে ও জেলা জামায়াতের আমির উপধ্যাক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াত এর সাবেক আমির মুহাদ্দেস আব্দুল খালেক, মাওলানা ওসমান গনি সহকারী সেক্রেটারি জেলা জামায়াত, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ওমর ফারুক, প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ সহকারী সেক্রেটারি জেলা জামায়াত। মাওলানা আজিজুর রহমান সেক্রেটারি জেলা জামায়াত।
সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, মাওলানা আজিজুর রহমান যশোর অঞ্চল জামায়াত নেতা, মুহাদ্দেস রবিউল বাসার সাবেক আমির জেলা জামায়াত সাতক্ষীরা। আবুল কালাম আজাদ খুলনা অঞ্চলের জামায়াত নেতা, কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা অধ্যাপক ইজ্জত উল্লাহ। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাঘের হাট, খুলনা, যশোরসহ বিভিন্ন এলাকার জেলা পর্যায়ের জামায়াত নেতৃবৃন্দসহ সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমির নুরুল হুদা যথা ডাক্তার মাহমুদুল হক, মাহবুবুল আলম,গাজী সুজাআত আলী,অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা ওসমান গনি, জেলা শাখার শিবিরের সভাপতি ইমামুল ইসলাম, শিবির নেতা আলমামুন।
রিপোর্টার 














