আজ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

নারীকেই কামনা-বাসনার বস্তু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে : জয়া

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১০:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৩১৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘মানিকবাবুর কুসুম’ মুক্তির আগে কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায় এবং ছবির কলাকুশলীরা। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সুমিত চক্রবর্তী ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সন্দীপকুমার মণ্ডলও।

সভায় পরিচালক সুমন বলেন, “আমি মূলত চিত্রনাট্য নিয়েই কথা বলেছি। উপন্যাস নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক আলোচনা হয়েছে। যেমন—‘শরীর শরীর শরীর, তোমার মন নেই কুসুম’—এই সংলাপ ঘিরে নানা লেখালিখি হয়েছে। উপন্যাসে এটা স্পষ্ট নয়, সংলাপটি শশীর, নাকি মানিকের নিজের। তবে চিত্রনাট্যে আমরা তা স্পষ্ট করেছি।”

কুসুমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সবুজ কুর্তি ও সাদা পাজামায় সভায় হাজির হয়ে তিনি বলেন, “বরাবর নারীকে কামনা ও বাসনার বস্তু হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু কুসুম নিজেও কামনা করে, বাসনা করে—এটা সে গোপন রাখে না। সে এক খোলা বইয়ের মতো।”

জয়ার ভাষায়, “কুসুমের মন, শরীর ও আত্মা এক সুরে বাঁধা। এটাই তার শক্তি। সে শশীর চরিত্রকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। আমাদের সমাজে নারীদের চারপাশে এক ধরনের লক্ষ্মণরেখা টানা হয়, কিন্তু কুসুম সে রেখা মেনে চলে না বলেই সে এত আধুনিক।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি নিজেও কুসুমের মতো হতে পারব না। কুসুম যেন বাংলার বাউলদের মতো, যার দেহ, মন ও আত্মা একাকার। যাহা ভাঙে, তাহাই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে।”

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

নারীকেই কামনা-বাসনার বস্তু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে : জয়া

আপডেট টাইম : ১০:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘মানিকবাবুর কুসুম’ মুক্তির আগে কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায় এবং ছবির কলাকুশলীরা। ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সুমিত চক্রবর্তী ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সন্দীপকুমার মণ্ডলও।

সভায় পরিচালক সুমন বলেন, “আমি মূলত চিত্রনাট্য নিয়েই কথা বলেছি। উপন্যাস নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক আলোচনা হয়েছে। যেমন—‘শরীর শরীর শরীর, তোমার মন নেই কুসুম’—এই সংলাপ ঘিরে নানা লেখালিখি হয়েছে। উপন্যাসে এটা স্পষ্ট নয়, সংলাপটি শশীর, নাকি মানিকের নিজের। তবে চিত্রনাট্যে আমরা তা স্পষ্ট করেছি।”

কুসুমের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সবুজ কুর্তি ও সাদা পাজামায় সভায় হাজির হয়ে তিনি বলেন, “বরাবর নারীকে কামনা ও বাসনার বস্তু হিসেবে দেখা হয়েছে। কিন্তু কুসুম নিজেও কামনা করে, বাসনা করে—এটা সে গোপন রাখে না। সে এক খোলা বইয়ের মতো।”

জয়ার ভাষায়, “কুসুমের মন, শরীর ও আত্মা এক সুরে বাঁধা। এটাই তার শক্তি। সে শশীর চরিত্রকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। আমাদের সমাজে নারীদের চারপাশে এক ধরনের লক্ষ্মণরেখা টানা হয়, কিন্তু কুসুম সে রেখা মেনে চলে না বলেই সে এত আধুনিক।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি নিজেও কুসুমের মতো হতে পারব না। কুসুম যেন বাংলার বাউলদের মতো, যার দেহ, মন ও আত্মা একাকার। যাহা ভাঙে, তাহাই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে।”