নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে প্রকাশ্যে হত্যা এবং চাঁদপুরে মসজিদের খতিবের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এবং দেশবাসীকে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রথম ঘটনায় তিনি বলেন, “চাঁদপুর সদর উপজেলার প্রফেসর পাড়া মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা খতিব মাওলানা আ. ন. ম. নূর রহমান মাদানীর ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এই হত্যাচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য।” তিনি হামলাকারীকে “চরমপন্থী মানসিকতার লোক” আখ্যায়িত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
দ্বিতীয় ঘটনায় তিনি বলেন, “যুবদলের বহিষ্কৃত যে নেতাকে খুলনায় হত্যা করা হয়েছে, তার প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”
তিনি এই অবস্থাকে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ বলে উল্লেখ করেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সবচেয়ে জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখা যায় মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড নিয়ে। এ ঘটনায় বিস্ময়, ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
“এ কোন যুগ! কোন সমাজ! প্রকাশ্য দিবালোকে একজন সাধারণ ব্যবসায়ীকে শুধু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো!”
তিনি আরও বলেন, “হে সমাজ, জেগে উঠো! মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার প্রমাণ দাও।”
সোহাগের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, “হে ব্যবসায়ী ভাই সোহাগ, তোমার এই পরিণতি হওয়ার আগে সত্যিকারের কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলাম না— এজন্য আমরা আন্তরিকভাবে লজ্জিত।”
স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি লেখেন, “ভয় ও সংকোচ উপেক্ষা করে আমাদের সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই হবে। আজ যদি কারো বিপদে চুপ থাকো, কাল তোমার বিপদে কেউ পাশে থাকবে না।”
রিপোর্টার 
















