আজ ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

মাওলানা মিজানুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহারের দাবিতে এলাকা বাসির মানববন্ধন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ১১:১৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৯৭ বার

শ‍্যামনগর অন্তাখালি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠা মাওলানা মিজানুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহার ও মুক্তির দাবীরে নুর উদ্দিন আল মাসুদ নেতৃত্বে পাইছো সরদার মোড়ে শুক্রবার আসরের নামাজের পর ও জুম্মার নামাজ এর পর পৃথকভাবে রেজাউল করিম বাবু, আব্দুস সাত্তার নেতৃত্বে মাদ্রাসার মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনে উল্লেখিত ব‍্যক্তিরা বলেন আলেমেদিন মাওলানা মিজানুর রহমান একজন স্বার্থত্যাগী, আল্লাহ ওয়ালা ব্যক্তি। অনেকদিন আগে থেকেই কিছু অসাধু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে মাওলানা মিজানুর রহমান নামে বিভিন্ন বানোয়াট ,ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

চোখে আল্লাহকে দেখা যায় এবং স্বয়ং মিজানুর রহমান নিজে দেখেন ,কথা বলেন ও সমস্যার সমাধান করেন। শরীয়তের মানদন্ডে অলিগণের হালাত বইয়ের২৫ নং পৃষ্ঠায় এ ধরনের কথা উল্লেখ নেই বা তিনি নিজে কখনোই এ ধরনের কোন দাবী করেননি। এগুলো সবই মিথ্যা অপবাদ ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। আকৃতি ধারণ করে আছে যা শরীয়তের মানদণ্ডে ওলীদের হাল বইয়ের ১৭ থেকে ১১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় আছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু তার ছেলে ইউসুফের ব্যাপারে এ ধরনের কোন কথা ঐ কিতাবে উল্লেখ নেই এবং মাওলানা মিজানুর রহমান কখনোই এই দাবি করেনী।

তিনি মাঝেমধ্যে নামাজ পড়েন না। সুদের লেনদেন করেন ।অর্থ আত্মসা করেন ১০৫ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে বলে দাবি করা হয়। এই দাবিগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। লেখাপড়া না করে খেদমত ও মাদ্রাসার কাজকর্মের মাধ্যমে এলমে লাধুনি পাওয়া যাবে এবং এটাই প্রকৃত এলেন তাই তিনি সাধারণ মানুষের সন্তানদের পাশাপাশি নিজ সন্তানদেরকেও লেখাপড়া না শিখিয়ে বড় আলেম বানানোর অপেক্ষায় ছিলেন কিন্তু তার দুই ছেলের অবস্থা সবার সামনে পরিষ্কার অর্থাৎ উনার বড় ছেলে মাদ্রাসায় হাফেজ হয়েছে এবং কিতাব বিভাগে পড়তেছে এ কথা শরীয়তের মানদন্ডে অলিগণের হালাত ১৩৪ নম্বর পৃষ্ঠায় এরকম কোন কথাই এই কিতাবে নেই বলে দাবী করেন মানব বন্ধনে আগত এলাকা বাসি, তারা আরো বলেন এগুলো সব মিথ্যা ও বানোট।

এছাড়া মজলুম আলেমেদিন মাওলানা মিজানুর রহমান এর ব্যাপারে যেসমস্ত জঘন্যতম মিথ্যাচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। মানব বন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন হাফিজুর গাজী ,আল মামুন সরদার ,করিম গাজী, নজরুল গাজী ,নুরুদ্দিন গাজী ,হযরত গাজী ,মতলেব গাজী ,জামিল গাজী ,সোহাগ সর্দার ,সাগর সরদার ,ইব্রাহিম গাজী, ইব্রাহীম সরদার ,সাখাওয়াত সর্দার ,আল মামুন সরদার, আবু গাজী, জিন্নাত কয়েল, হাফিজুর কয়েল ,নুরুজ্জামান সরদার ,নুরুজ্জামান গাজী, ওমর ফারুক ,রাজ্জাক গাজী, সামাদ গাজী, প্রেস বিজ্ঞপ্তি

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

মাওলানা মিজানুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহারের দাবিতে এলাকা বাসির মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শ‍্যামনগর অন্তাখালি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠা মাওলানা মিজানুর রহমানের নামে মিথ্যা মামলা প্রত‍্যাহার ও মুক্তির দাবীরে নুর উদ্দিন আল মাসুদ নেতৃত্বে পাইছো সরদার মোড়ে শুক্রবার আসরের নামাজের পর ও জুম্মার নামাজ এর পর পৃথকভাবে রেজাউল করিম বাবু, আব্দুস সাত্তার নেতৃত্বে মাদ্রাসার মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনে উল্লেখিত ব‍্যক্তিরা বলেন আলেমেদিন মাওলানা মিজানুর রহমান একজন স্বার্থত্যাগী, আল্লাহ ওয়ালা ব্যক্তি। অনেকদিন আগে থেকেই কিছু অসাধু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে মাওলানা মিজানুর রহমান নামে বিভিন্ন বানোয়াট ,ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

চোখে আল্লাহকে দেখা যায় এবং স্বয়ং মিজানুর রহমান নিজে দেখেন ,কথা বলেন ও সমস্যার সমাধান করেন। শরীয়তের মানদন্ডে অলিগণের হালাত বইয়ের২৫ নং পৃষ্ঠায় এ ধরনের কথা উল্লেখ নেই বা তিনি নিজে কখনোই এ ধরনের কোন দাবী করেননি। এগুলো সবই মিথ্যা অপবাদ ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। আকৃতি ধারণ করে আছে যা শরীয়তের মানদণ্ডে ওলীদের হাল বইয়ের ১৭ থেকে ১১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় আছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু তার ছেলে ইউসুফের ব্যাপারে এ ধরনের কোন কথা ঐ কিতাবে উল্লেখ নেই এবং মাওলানা মিজানুর রহমান কখনোই এই দাবি করেনী।

তিনি মাঝেমধ্যে নামাজ পড়েন না। সুদের লেনদেন করেন ।অর্থ আত্মসা করেন ১০৫ নম্বর পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে বলে দাবি করা হয়। এই দাবিগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট ভিত্তিহীন। লেখাপড়া না করে খেদমত ও মাদ্রাসার কাজকর্মের মাধ্যমে এলমে লাধুনি পাওয়া যাবে এবং এটাই প্রকৃত এলেন তাই তিনি সাধারণ মানুষের সন্তানদের পাশাপাশি নিজ সন্তানদেরকেও লেখাপড়া না শিখিয়ে বড় আলেম বানানোর অপেক্ষায় ছিলেন কিন্তু তার দুই ছেলের অবস্থা সবার সামনে পরিষ্কার অর্থাৎ উনার বড় ছেলে মাদ্রাসায় হাফেজ হয়েছে এবং কিতাব বিভাগে পড়তেছে এ কথা শরীয়তের মানদন্ডে অলিগণের হালাত ১৩৪ নম্বর পৃষ্ঠায় এরকম কোন কথাই এই কিতাবে নেই বলে দাবী করেন মানব বন্ধনে আগত এলাকা বাসি, তারা আরো বলেন এগুলো সব মিথ্যা ও বানোট।

এছাড়া মজলুম আলেমেদিন মাওলানা মিজানুর রহমান এর ব্যাপারে যেসমস্ত জঘন্যতম মিথ্যাচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। মানব বন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন হাফিজুর গাজী ,আল মামুন সরদার ,করিম গাজী, নজরুল গাজী ,নুরুদ্দিন গাজী ,হযরত গাজী ,মতলেব গাজী ,জামিল গাজী ,সোহাগ সর্দার ,সাগর সরদার ,ইব্রাহিম গাজী, ইব্রাহীম সরদার ,সাখাওয়াত সর্দার ,আল মামুন সরদার, আবু গাজী, জিন্নাত কয়েল, হাফিজুর কয়েল ,নুরুজ্জামান সরদার ,নুরুজ্জামান গাজী, ওমর ফারুক ,রাজ্জাক গাজী, সামাদ গাজী, প্রেস বিজ্ঞপ্তি