আজ ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সাতক্ষীরায় শিশু ইয়াসমিন ধর্ষন ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০৮:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২২৮ বার

আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদরের বালিথা গ্রামের ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে হাত পা বেধে ও মুখ চেপে ধরে ধর্ষন করার অভিযোগ। আহত অবস্থায় শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ভর্তি করেন তার পরিবার। ধর্ষনকারী ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা গ্রামের আনার উদ্দীন সরদারের ছেলে হাফেজ আব্দুল্লাহ সরদার (২৬)।

ধর্ষনের শিকার ইয়াসমিনের নানি ও এলাকাবাসী এ প্রতিবেদক কে জানান রবিবার বেলা ১২ টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ী আসার পর ভাত খেয়ে পার্শবর্তী বাড়ীর উঠানে যায় ইয়াসমিন তখন ঐ বাড়ীতে কেউ ছিলনা আমার বৌমাও পানি আনতে যায় পাশে। এই সুযোগে আব্দুল্লাহ প্রথম শ্রেনীতে পড়ুয়া ইয়াসমিনকে ঘরের মধ্যে নিয়ে হাত পা বেধে মুখ চেপে ধর্ষন করে।

এরমধ্যে ইয়াসমিনের মা মেয়েকে না পেয়ে খোজ নিতে আব্দুল্লাহর ঘরে যেয়ে দেখে মেয়ে মরার মত অবস্থা তখন দৌড়ে আব্দুল্লাহ পালিয়ে যায়। এরপর আমরা তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রাতে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করি। এবিষয়ে সাতক্ষীরা থানার অফিসার ইনচার্জ সামিনুল হক বলেন আসামীকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এজন্য আমাদের ৩/৪ টি টিম কাজ করছে। আশাকরি দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব এবং আসামীর নামে মামলা হয়েছে যার নং ৪৪।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরায় শিশু ইয়াসমিন ধর্ষন ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০৮:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদরের বালিথা গ্রামের ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে হাত পা বেধে ও মুখ চেপে ধরে ধর্ষন করার অভিযোগ। আহত অবস্থায় শিশুটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ভর্তি করেন তার পরিবার। ধর্ষনকারী ফিংড়ী ইউনিয়নের বালিথা গ্রামের আনার উদ্দীন সরদারের ছেলে হাফেজ আব্দুল্লাহ সরদার (২৬)।

ধর্ষনের শিকার ইয়াসমিনের নানি ও এলাকাবাসী এ প্রতিবেদক কে জানান রবিবার বেলা ১২ টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ী আসার পর ভাত খেয়ে পার্শবর্তী বাড়ীর উঠানে যায় ইয়াসমিন তখন ঐ বাড়ীতে কেউ ছিলনা আমার বৌমাও পানি আনতে যায় পাশে। এই সুযোগে আব্দুল্লাহ প্রথম শ্রেনীতে পড়ুয়া ইয়াসমিনকে ঘরের মধ্যে নিয়ে হাত পা বেধে মুখ চেপে ধর্ষন করে।

এরমধ্যে ইয়াসমিনের মা মেয়েকে না পেয়ে খোজ নিতে আব্দুল্লাহর ঘরে যেয়ে দেখে মেয়ে মরার মত অবস্থা তখন দৌড়ে আব্দুল্লাহ পালিয়ে যায়। এরপর আমরা তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রাতে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করি। এবিষয়ে সাতক্ষীরা থানার অফিসার ইনচার্জ সামিনুল হক বলেন আসামীকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এজন্য আমাদের ৩/৪ টি টিম কাজ করছে। আশাকরি দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব এবং আসামীর নামে মামলা হয়েছে যার নং ৪৪।