আজ ০৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম ::
সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, দরজায় ঝুলল আদালতের নোটিশ সাড়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ সাতক্ষীরায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা জাতীয়তাবাদী সাইবার দল সাতক্ষীরা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা লাবসা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সাতক্ষীরায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিক  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যদের অভিনন্দন জানালেন প্রধান উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের পরিচিতি সভা ও কমিটি ঘোষণা তালায় ঘরের সানসেট ধসে নারীর মৃত্যু সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে আত্মনির্ভরশীল দেশ গড়া সম্ভব: ড. ইউনূস

খুলনা বিভাগের একমাত্র খাল হিসেবে সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রে প্রবাহিত প্রাণসায়ের খালের সংস্কার শুরু

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০১:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪
  • ২৭২ বার

আবু সাঈদ: সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রে প্রবাহিত প্রাণসায়ের খাল আবারও সংস্কার করা হচ্ছে। শুক্রবার সকালে সুলতানপুর বড়বাজার থেকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন,খুলনা বিভাগের একমাত্র খাল হিসেবে প্রাণসায়ের খালকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখালের দু’মুখ মরিচ্চাপ ও বেতনা নদীতে মিশিয়ে দিয়ে খালের প্রবাহ সচল করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে দৃষ্টিনন্দন করা হবে প্রাণসায়ের খালকে।

খরচের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই যে সৃজনশীল কাজ করা যায়,সেটি প্রমাণের সময় এসেছে। বুলডোজার দিয়েছে সওজ কতৃপক্ষ। আর জনবল দিয়েছে পৌর কতৃপক্ষসহ বিভিন্ন বে-সরকারি সংস্থা। সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে আপাতত খাল পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। তবে আগামীতে দৃষ্টিনন্দনের জন্য বড় বরাদ্দের প্রয়োজন হলে উর্দ্ধতন মহলের সহায়তা চাওয়া হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাজে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত,১৮৫০ সালে সাতক্ষীরার তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় চৌধুরী নদীপথে ব্যবসা-বানিজ্য ও শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রাণসায়ের খাল খনন করেন। খালটির দৈর্ঘ্য ১৪ কি:মি:। দ্িক্ষণে মরিচ্চাপ ও উত্তরে বেতনা নদীর সাথে খালটি মিশেছে। তবে দু’মুখ ভরাট থাকায় প্রবাহহীন হয়ে পড়েছে খালটি। ২০২০ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে খালটি খনন করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু ৪ বছর যেতে না যেতে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয় সেটি। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শহরের পানি প্রাণসায়ের দিয়ে সরতে না পারায় পৌরশহরের অর্ধেক এলাকা এখনও জলমগ্ন রয়েছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা, দরজায় ঝুলল আদালতের নোটিশ

খুলনা বিভাগের একমাত্র খাল হিসেবে সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রে প্রবাহিত প্রাণসায়ের খালের সংস্কার শুরু

আপডেট টাইম : ০১:০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ নভেম্বর ২০২৪

আবু সাঈদ: সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রে প্রবাহিত প্রাণসায়ের খাল আবারও সংস্কার করা হচ্ছে। শুক্রবার সকালে সুলতানপুর বড়বাজার থেকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এসময় জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন,খুলনা বিভাগের একমাত্র খাল হিসেবে প্রাণসায়ের খালকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখালের দু’মুখ মরিচ্চাপ ও বেতনা নদীতে মিশিয়ে দিয়ে খালের প্রবাহ সচল করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে দৃষ্টিনন্দন করা হবে প্রাণসায়ের খালকে।

খরচের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই যে সৃজনশীল কাজ করা যায়,সেটি প্রমাণের সময় এসেছে। বুলডোজার দিয়েছে সওজ কতৃপক্ষ। আর জনবল দিয়েছে পৌর কতৃপক্ষসহ বিভিন্ন বে-সরকারি সংস্থা। সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে আপাতত খাল পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। তবে আগামীতে দৃষ্টিনন্দনের জন্য বড় বরাদ্দের প্রয়োজন হলে উর্দ্ধতন মহলের সহায়তা চাওয়া হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একাজে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত,১৮৫০ সালে সাতক্ষীরার তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় চৌধুরী নদীপথে ব্যবসা-বানিজ্য ও শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রাণসায়ের খাল খনন করেন। খালটির দৈর্ঘ্য ১৪ কি:মি:। দ্িক্ষণে মরিচ্চাপ ও উত্তরে বেতনা নদীর সাথে খালটি মিশেছে। তবে দু’মুখ ভরাট থাকায় প্রবাহহীন হয়ে পড়েছে খালটি। ২০২০ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে খালটি খনন করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু ৪ বছর যেতে না যেতে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয় সেটি। এছাড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শহরের পানি প্রাণসায়ের দিয়ে সরতে না পারায় পৌরশহরের অর্ধেক এলাকা এখনও জলমগ্ন রয়েছে।