আজ ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

খাজরা হাকিমিয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : ০১:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১৯৯ বার

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সুপারের পদ থেকে অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মেইন সড়কে খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য, অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসির আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী রবিউল ইসলাম মোড়লের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান সানা, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম ও ইয়াকুব আলী, দাতা মইনুল ইসলাম মোড়ল, অভিভাবক ছাইফল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম গাজী, বাবুল গাজী প্রমূখ। বক্তাগন বলেন, খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসায় অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে পদ আকড়ে রেখেছেন মাদ্রাসার আইসিটি শিক্ষক মু. আবু রায়হান। তিনি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হাকিমের পুত্র। সুপার আব্দুল হাকিমের অবসরের পর তার পুত্র জৈষ্টতার দিক দিয়ে ৬ নং তালিকাভূক্ত আইসিটি শিক্ষক আবু রাহানকে সিনিয়রদের বাদ দিয়ে ২০১৯ সালে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব অর্পন করেন। সে থেকে অবৈধভাবে তিনি পদটি আকড়ে রেখেছেন। বর্তমানে মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন, চাত্র-ছাত্রী সংখ্যা খাতা কলমে প্রায় সাড়ে ৩ শ। ওই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত সুপারের অধীনে গত ৫ জুলাই গোয়ালডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মনিরুল ইসলামকে সহকারি সুপার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি গত ১ আগষ্ট মাদ্রাসায় সহকারি সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন। মাদ্রাসায় দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার লক্ষে অদ্যবদি যোগদানকৃত সহকারি সুপার বা সিনিয়র শিক্ষকদের হাতে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব অর্পন করছেন না আইসিটি শিক্ষক আবু রায়হান। তিনি পিতার ইস্টালে ক্ষমতা সরকারি বিধি বহির্ভূতবাবে আকড়ে রেখেছেন। বক্তাগন এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন নিবেদন করেও অদ্যবদি কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। অনতিবিলম্বে সরকারি বিধি মোতাবেক সহকারি সুপার হিসেবে দূর্নীতিবাজ আবু রায়হানকে অপসারন করে অন্য কাউকে দায়িত্ব প্রদানের দাবী জানিয়ে সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

খাজরা হাকিমিয়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারের অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০১:৫৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সুপারের পদ থেকে অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে মেইন সড়কে খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য, অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসির আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী রবিউল ইসলাম মোড়লের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, অভিভাবক সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান সানা, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম ও ইয়াকুব আলী, দাতা মইনুল ইসলাম মোড়ল, অভিভাবক ছাইফল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম গাজী, বাবুল গাজী প্রমূখ। বক্তাগন বলেন, খাজরা হাকিমিয়া দাখিল মাদ্রাসায় অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসেবে পদ আকড়ে রেখেছেন মাদ্রাসার আইসিটি শিক্ষক মু. আবু রায়হান। তিনি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল হাকিমের পুত্র। সুপার আব্দুল হাকিমের অবসরের পর তার পুত্র জৈষ্টতার দিক দিয়ে ৬ নং তালিকাভূক্ত আইসিটি শিক্ষক আবু রাহানকে সিনিয়রদের বাদ দিয়ে ২০১৯ সালে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব অর্পন করেন। সে থেকে অবৈধভাবে তিনি পদটি আকড়ে রেখেছেন। বর্তমানে মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন, চাত্র-ছাত্রী সংখ্যা খাতা কলমে প্রায় সাড়ে ৩ শ। ওই অবৈধ ভারপ্রাপ্ত সুপারের অধীনে গত ৫ জুলাই গোয়ালডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মনিরুল ইসলামকে সহকারি সুপার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি গত ১ আগষ্ট মাদ্রাসায় সহকারি সুপার হিসেবে যোগদান করেছেন। মাদ্রাসায় দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার লক্ষে অদ্যবদি যোগদানকৃত সহকারি সুপার বা সিনিয়র শিক্ষকদের হাতে ভারপ্রাপ্ত সুপারের দায়িত্ব অর্পন করছেন না আইসিটি শিক্ষক আবু রায়হান। তিনি পিতার ইস্টালে ক্ষমতা সরকারি বিধি বহির্ভূতবাবে আকড়ে রেখেছেন। বক্তাগন এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন নিবেদন করেও অদ্যবদি কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। অনতিবিলম্বে সরকারি বিধি মোতাবেক সহকারি সুপার হিসেবে দূর্নীতিবাজ আবু রায়হানকে অপসারন করে অন্য কাউকে দায়িত্ব প্রদানের দাবী জানিয়ে সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।